শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জুলাই হত্যার প্রতিটি ঘটনার বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু স্বপ্ন দেখেন না, স্বপ্ন বাস্তবায়নও করেন: মির্জা ফখরুল নতুনভাবে বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য : পানিসম্পদ মন্ত্রী অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ অবহেলা-দুর্নীতি করলে বদলি নয়, চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স‌ঙ্গে স্পিকা‌রের বৈঠক একক আধিপত্য নয়, প্রয়োজন সব মতের সুস্থ বিনিময় : তথ‍্যমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবার ও আহতদের স্মৃতি স্মারক দিলেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের দাফন হয়ে গেছে দিল্লিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজায় অংশ না নিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, সহায়তা বন্ধের হুমকি

চকবাজারে ছাতার দোকানের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত

বাংলা৭১নিউজ,ঢাকা
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর চকবাজারের চক মোঘলটুলির ১১৭ নম্বর রোডে হাজী আবুল সুপার মার্কেটে আগুনের ঘটনা মূলত বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত কোটি টাকার ওপরে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কেটের সামনে দাড়িয়ে এসব তথ্য জানান মার্কেটটির ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম।

শফিকুল ইসলাম বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে আমি আমার ছাতার দোকানে কাজ করছিলাম। ঠিক তখনই আগুনটা লাগে। ছাতার দোকানে আগুন লাগার সময় সামনে কিছু কাঠ রাখা ছিল। ফলে সেই কাঠে লেগে পাশে থাকা বাল্বের (লাইট) গুদামে আগুনটা ছড়িয়ে যায়। পরে আগুন বাড়তে থাকে।

তিনি আরও বলেন, আগুন দেখার পর আমি আর দেরি করি নাই তিন থেকে চারবার কল করেছি। প্রায় আধা ঘণ্টা পর আগুন নেভানোর গাড়ি আসছে। তারা এসে বাইরে থেকে পানি মারা শুরু করল। পরে তারা ভেতরে ঢুকে আগুন নিভিয়েছে।

আগুনের সূত্রপাত নিয়ে তিনি বলেন, মূলত ছাতার দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত। আগুনটা শর্ট সার্কিট থেকে লাগছে। আর কোনো কারণ নাই। কারণ হঠাৎ করে দোকানের ভেতরে আগুন। আগুন দেখে আমি আমার গুদামের সাটার ফেলে দেওয়ায় মালামাল পোড়েনি।

তার মতে, শর্ট সার্কিট ছাড়া আগুন লাগার মতো তেমন কিছু নাই। তাছাড়া গুদামে লোকজনও ছিল না।ফলে কেউ লাগিয়ে দেবে সেটারও সম্ভাবনা নেই।

শফিকুল জানান, ঠিক দুপুর দেড়টায় আগুন লাগে। আগুনের পর তিনি নিজেই আগুন নেভানোর জন্য তার গুদামে থাকা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র দিয়ে চারবার গ্যাস মেরেছেন। কিন্তু আগুন বাড়ছিল। পরে উপায় না দেখে তিনি তৎক্ষণাৎ ফায়ার সার্ভিসের সদর দফতরে কল করেন।

মার্কেটের দ্বিতীয় তলার বেল্ট ব্যবসায়ী রুবেল জানান, তিনিও ওই সময় দোকানে কাজ করছিলেন। হঠাৎ আগুন আগুন চিৎকার শুনতে পান। এরপর তিনি তড়িঘড়ি করে নেমে আসেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসলে তিনি আর ভবনে ঢুকতে পারেননি। ভবনের নিচে তিনিও অপেক্ষা করছিলেন। এসময় তার সঙ্গে কথা হয়।

হাজী আবুল বাশার সুপার মার্কেটটি আটতলার পুরোটাই মার্কেট। এই ভবনে আটটি গুদাম ও আটটি দোকান রয়েছে। আগুন নেভানোর পর থেকে মার্কেটের গেটে তালা দেওয়া হয়েছে। প্রায় চার ঘণ্টা এই এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। বিকেল সাড়ে ৫টার বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।

দুপুর দেড়টার পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন লাগার খবর পান। পরে লালবাগ ও সিদ্দিকবাজার থেকে ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তারা সোয়া দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এই অগ্নিকাণ্ডে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com