ঢাকা ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে জাপানের দাপট, ২-০ তে এগিয়ে

মেক্সিকোর এস্তাদিও মনতেরেতে বিশ্বকাপের বিশেষ এক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে তিউনিসিয়া ও জাপান। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচ। আর এই মাইলফলক ম্যাচটিতে নিজেদের দাপট দেখাচ্ছে জাপান।

তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি এখনও চলছে, কিন্তু স্কোরলাইনই যেন বলে দিচ্ছে গল্পটা কোন দিকে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে জাপান, আর তার ফলও পেয়েছে দ্রুত।

মেক্সিকোর এস্তাদিও মনতেরেতে ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় জাপান। কেইতো নাকামুরার তৈরি করা সুযোগ থেকে দাইচি কামাদা গোল করে দলকে লিড এনে দেন। বিশ্বকাপে জাপানের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে দ্রুত গোলগুলোর একটি।

গোল খাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও তিউনিসিয়া ঠিকমতো ম্যাচে ফিরতে পারেনি। জাপানের সংগঠিত রক্ষণ আর মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণের সামনে বারবার আটকে যাচ্ছে তাদের আক্রমণ।

৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জাপান। কৌ ইতাকুরার পাস থেকে বল পেয়ে আয়াসে উএদা বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান। তিউনিসিয়ার গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না।

এরপরও আক্রমণের ধার কমায়নি জাপান। বল দখল, পাসিং আর গতির দিক থেকে পুরো ম্যাচেই এগিয়ে রয়েছে তারা। তিউনিসিয়া মাঝে মাঝে আক্রমণে উঠলেও জাপানের রক্ষণভাগ সহজেই তা সামাল দিচ্ছে।

ম্যাচের এই সময়ে এসে জয়ের সম্ভাবনা প্রায় পুরোপুরি জাপানের দিকেই ঝুঁকে আছে। অন্যদিকে তিউনিসিয়ার জন্য সমীকরণ কঠিন হয়ে উঠছে প্রতি মিনিটে।

গ্রুপ এফের সমীকরণে এই ম্যাচের ফল বড় প্রভাব ফেলতে পারে। জাপান যদি এই লিড ধরে রাখতে পারে, তাহলে নকআউট পর্বের পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে যাবে তারা।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

বিশ্বকাপের ১০০০তম ম্যাচে জাপানের দাপট, ২-০ তে এগিয়ে

আপডেট সময় ১০:৫৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

মেক্সিকোর এস্তাদিও মনতেরেতে বিশ্বকাপের বিশেষ এক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে তিউনিসিয়া ও জাপান। এটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০০০তম ম্যাচ। আর এই মাইলফলক ম্যাচটিতে নিজেদের দাপট দেখাচ্ছে জাপান।

তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি এখনও চলছে, কিন্তু স্কোরলাইনই যেন বলে দিচ্ছে গল্পটা কোন দিকে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে জাপান, আর তার ফলও পেয়েছে দ্রুত।

মেক্সিকোর এস্তাদিও মনতেরেতে ম্যাচের মাত্র ৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় জাপান। কেইতো নাকামুরার তৈরি করা সুযোগ থেকে দাইচি কামাদা গোল করে দলকে লিড এনে দেন। বিশ্বকাপে জাপানের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে দ্রুত গোলগুলোর একটি।

গোল খাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও তিউনিসিয়া ঠিকমতো ম্যাচে ফিরতে পারেনি। জাপানের সংগঠিত রক্ষণ আর মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণের সামনে বারবার আটকে যাচ্ছে তাদের আক্রমণ।

৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে জাপান। কৌ ইতাকুরার পাস থেকে বল পেয়ে আয়াসে উএদা বক্সের বাইরে থেকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান। তিউনিসিয়ার গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না।

এরপরও আক্রমণের ধার কমায়নি জাপান। বল দখল, পাসিং আর গতির দিক থেকে পুরো ম্যাচেই এগিয়ে রয়েছে তারা। তিউনিসিয়া মাঝে মাঝে আক্রমণে উঠলেও জাপানের রক্ষণভাগ সহজেই তা সামাল দিচ্ছে।

ম্যাচের এই সময়ে এসে জয়ের সম্ভাবনা প্রায় পুরোপুরি জাপানের দিকেই ঝুঁকে আছে। অন্যদিকে তিউনিসিয়ার জন্য সমীকরণ কঠিন হয়ে উঠছে প্রতি মিনিটে।

গ্রুপ এফের সমীকরণে এই ম্যাচের ফল বড় প্রভাব ফেলতে পারে। জাপান যদি এই লিড ধরে রাখতে পারে, তাহলে নকআউট পর্বের পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে যাবে তারা।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ