ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ইরানের অস্ত্র উৎপাদন এক বছরে দ্বিগুণ হয়েছে: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় Logo চাঁদাবাজদের তালিকা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo তাড়াহুড়া নয়, জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর: হুমায়ুন কবির Logo কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোলে হস্তান্তর Logo মারধরের ৮ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামী গ্রেপ্তার Logo জাতীয় স্বার্থে আপস করে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo নারায়ণগঞ্জে ট্রেনের নিচে পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মৃত্যু Logo মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন Logo শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসী: নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন পেজেশকিয়ানের, সম্পর্ক গভীর করতে আশাবাদ

দাদিকে হত্যা করে লুটের অভিযোগে নাতিসহ গ্রেফতার ৩

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বৃদ্ধা ওয়ালেদা খাতুন (৭৫) বেওয়াকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা ও লুটপাটের ঘটনায় নিহতের নাতিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এরা হলেন— নিহতের নাতি মো. ফজলে রাব্বি (২৯), মসফিকুর রহমান রাজ (৩৪) এবং নাজমুল হুদা শান্ত (২৬)। তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গত ২১ এপ্রিল বিকেলে ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা ইউনিয়নের পূর্ব পালশা গ্রামে নিজ বাড়িতে একা থাকা ওয়ালেদা খাতুনকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে, অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়া তিন আসামি পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটায়। নিহতের নাতি ফজলে রাব্বি দাদির বাড়িতে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা থাকার তথ্য দিলে তারা বাড়িতে ঢুকে বৃদ্ধাকে বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

ঘটনার পর দিনভর অভিযান চালিয়ে সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার আশুলিয়ার গকুর নগর এলাকা থেকে ফজলে রাব্বি ও মসফিকুর রহমান রাজকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিনে ঘোড়াঘাট উপজেলার দেওগ্রাম এলাকা থেকে নাজমুল হুদা শান্তকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গোয়েন্দা, সাইবার ইউনিটসহ একাধিক টিম কাজ করে।

স্থানীয়রা জানান, ওয়ালেদা খাতুন ছোট মেয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতেন। ঘটনার সময় রহিমা বেগম বাড়ির বাইরে ছিলেন। পরে বাড়িতে ফিরে তিনি মায়ের হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

ইরানের অস্ত্র উৎপাদন এক বছরে দ্বিগুণ হয়েছে: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

দাদিকে হত্যা করে লুটের অভিযোগে নাতিসহ গ্রেফতার ৩

আপডেট সময় ০৬:২৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বৃদ্ধা ওয়ালেদা খাতুন (৭৫) বেওয়াকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা ও লুটপাটের ঘটনায় নিহতের নাতিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এরা হলেন— নিহতের নাতি মো. ফজলে রাব্বি (২৯), মসফিকুর রহমান রাজ (৩৪) এবং নাজমুল হুদা শান্ত (২৬)। তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, গত ২১ এপ্রিল বিকেলে ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা ইউনিয়নের পূর্ব পালশা গ্রামে নিজ বাড়িতে একা থাকা ওয়ালেদা খাতুনকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে, অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়া তিন আসামি পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটায়। নিহতের নাতি ফজলে রাব্বি দাদির বাড়িতে স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা থাকার তথ্য দিলে তারা বাড়িতে ঢুকে বৃদ্ধাকে বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

ঘটনার পর দিনভর অভিযান চালিয়ে সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার আশুলিয়ার গকুর নগর এলাকা থেকে ফজলে রাব্বি ও মসফিকুর রহমান রাজকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিনে ঘোড়াঘাট উপজেলার দেওগ্রাম এলাকা থেকে নাজমুল হুদা শান্তকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গোয়েন্দা, সাইবার ইউনিটসহ একাধিক টিম কাজ করে।

স্থানীয়রা জানান, ওয়ালেদা খাতুন ছোট মেয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতেন। ঘটনার সময় রহিমা বেগম বাড়ির বাইরে ছিলেন। পরে বাড়িতে ফিরে তিনি মায়ের হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ লাগানো অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ