সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জলাবদ্ধতা ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পনা জানালেন মির্জা ফখরুল কোনো ছাড় নয়, মাদক নির্মূলে বড় পদক্ষেপের বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এবার নারীদের ‘এলপিজি কার্ড’ দেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর বৈশ্বিক বাণিজ্যে আপডেট থাকতে সক্ষমতা বাড়াতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী দু’দেশের বন্ধুত্বকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই শার্শায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার : আইনমন্ত্রী ‘অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক’ আয়কর রিটার্ন না দিলে হাজির হবেন ইন্সপেক্টর দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে ১৪ জন নিহত

দু’দেশের বন্ধুত্বকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের গার্মেন্টস রপ্তানির ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় গন্তব্য হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া মানবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় দাতা হচ্ছে তারা, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় অংশীদার হচ্ছে তারা। সেই বিবেচনায় আমাদের বন্ধুত্বকে আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

তিনি বলেন, এখন একটা চ্যালেঞ্জ মিডিয়া সিচুয়েশনের মধ্যে আছে সারা পৃথিবী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত একটা দেশ এই নতুন ইকোসিস্টেমকে তারা কীভাবে ম্যানেজ করে, এ ব্যাপারে আমরা পারস্পরিক সহযোগিতা বিনিময় করতে পারি। এটাই ছিল মূলত আলোচনার বিষয়।

তারা বেশ আন্তরিকতার সঙ্গে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিশন ফর মিডিয়া কীভাবে কাজ করে এবং এখানে একটা মিডিয়া কমিশন গঠন করার যে প্রতিশ্রুতি সরকার ঘোষণা করেছে, আমরা সেই কাজটা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা আমাদের নৈতিক সহযোগিতা করবে।

মন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এখানকার রাষ্ট্রদূতের কার্যালয় এবং আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আমরা পারস্পরিকভাবে যৌথভাবে খোঁজার চেষ্টা করব, যে কোথায় আমরা গণমাধ্যম নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে পারি।

তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে এবং আমাদের জন্য তো অবশ্যই— মিসইনফরমেশন এবং ডিসইনফরমেশনকে কমব্যাট করাটা প্রধান চ্যালেঞ্জ। তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাছেও এটা একটা যুদ্ধে পরিণত হয়েছে।

বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে যেভাবে মানুষের জন্য সুযোগ রয়ে গেছে, সেই সুযোগে অপতথ্য প্রচারকারীরা একটা বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করছে সমাজ জীবনে, রাষ্ট্র জীবনে, নাগরিক জীবনে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র এবং সরকার কীভাবে জনগণকে এই অপতথ্যের হাত থেকে সুরক্ষা দিতে পারে, এটা আমাদের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ।

মন্ত্রী বলেন, এক সময় চ্যালেঞ্জ ছিল গণমাধ্যমের ফ্রিডম, এখন শুধু ফ্রিডম নয় ব্যালেন্সড ফ্রিডমটা কিন্তু একটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যারা ফ্রিডম এক্সারসাইজ করছে, সেটা প্রতিষ্ঠান হোক অথবা ব্যক্তিই, বিশেষ করে যখন সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা দেখছি যে এই ফ্রিডমের অপব্যবহারটা এমন হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ অনেক বেশি ভুক্তভোগী হয়ে পড়ছেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং অপতথ্যের হাত থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া দুটো কাজই তথ্য মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে করতে হচ্ছে।

‘আমরা সমস্যাটা বলেছি, বিনিময় করেছি। তাদের অভিজ্ঞতায়ও এরকম সমস্যা আছে। কীভাবে আমরা কোথায় কী করতে পারি, পরবর্তী সময়ের আলোচনাতে এগিয়ে যাব’- যোগ করেন তথ্যমন্ত্রী।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com