ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর Logo দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড: আইএফএফএসএ টরন্টো উৎসবে সেরা অভিনেত্রী জাইনীন Logo বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ Logo ওয়াশিংটনে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের স্মরণে বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান, মঞ্চ মাতাবেন সগ্নিক সেন Logo বিসিবির বিশাল চমক, ডি থ্রি ট্রফিতে আইপিলের ছোঁয়া! Logo আবু বকর যেন স্বপ্নের পুরুষ! পাকিস্তানি নাটকের প্রেমে মুগ্ধ নেটিজেনরা Logo ‘থাপ্পড়ম্যান’ শাহজালাল রুমিকে চুমুর বার্তা দিলেন নায়লা নাঈম Logo খুলনায় এবার মুদি দোকানদারকে গুলি Logo রাস্তা ও ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসালেই মামলা: ডিএসসিসি প্রশাসক Logo শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের শিকার সাংবাদিক এবং তার স্ত্রী

জামায়াত-এনসিপির ফের ওয়াকআউট নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুটি বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) নিয়ে আবারও ওয়াকআউট করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১ এপ্রিল) অধিবেশনে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন’ আদেশের বিষয়ে যথাযথ প্রতিকার পাওয়া যায়নি এবং আইনমন্ত্রী কর্তৃক বিরোধীদলীয় নেতাকে ‘মিসকোট’ বা ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে বলে দাবি করেন জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা। এর প্রেক্ষিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সঙ্গে যুক্তিতর্কে জড়িয়ে পড়ার এক পর্যায়ে দলীয় ও জোটসঙ্গী এনসিপির এমপিদের নিয়ে ওয়াকআউট করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

এর আগে, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেও ওয়াকআউট করেছিলেন জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা। বিরোধী দলের এমন কাণ্ডকে অবশ্য সংসদের স্বাভাবিক সংস্কৃতি হিসেবেই দেখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

দ্বিতীয়বারের মতো বিরোধীদলীয় নেতাদের ওয়াকআউটের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেতা ওয়াকআউট করতে চাইলে তা সংসদের প্রচলিত সংস্কৃতির অংশ এবং তাদের সে অধিকার রয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, আলোচিত বিষয়ে সরকারের বক্তব্যও সংক্ষেপে রেকর্ডে থাকা প্রয়োজন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট মুলতবি প্রস্তাবটি ডেপুটি স্পিকার গ্রহণ করেছিলেন এবং তখনই তিনি ৬৮ বিধির আওতায় আপত্তি তুলেছিলেন। কারণ, যে বিষয় আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য, তা মুলতবি প্রস্তাবে আলোচনার বিধান নেই।

তিনি বলেন, স্পিকারের বিবেচনায় বিষয়টি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে আলোচনায় আনা হয়েছে এবং এ নিয়ে দুই ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। তবে সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী, এ ধরনের আলোচনার পর ভোটাভুটির কোনো বিধান নেই। মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন হবে কি হবে না— এ বিষয়ে ভোটাভুটির বিধান রয়েছে। তবে সে সময় ভোটাভুটি হলে প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য গৃহীতই হতো না। 

সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, স্পিকার চাইলে কোনো মুলতবি প্রস্তাব বিবেচনা করবেন কি করবেন না—এটি তার এখতিয়ার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী বিরোধীদল কখনও কখনও সরকারি কার্যক্রম স্থগিত রাখতে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করে, যা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নজির অনুসরণে করা হয়। এ ক্ষেত্রে প্রস্তাব গৃহীত না হলেও সেটি উত্থাপনের সুযোগটিই বিরোধীদলের একটি অধিকার।

এরপর তিনি দাবি করেন, বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য সঠিক নয়। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একই বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে সংসদের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বেসরকারি সদস্যও একই ধরনের প্রস্তাব উত্থাপনের দাবি করতে পারেন, যা স্পিকারের বিবেচনার বিষয়।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

 

Tag :

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর

জামায়াত-এনসিপির ফের ওয়াকআউট নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

দুটি বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের (এমপি) নিয়ে আবারও ওয়াকআউট করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১ এপ্রিল) অধিবেশনে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন’ আদেশের বিষয়ে যথাযথ প্রতিকার পাওয়া যায়নি এবং আইনমন্ত্রী কর্তৃক বিরোধীদলীয় নেতাকে ‘মিসকোট’ বা ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে বলে দাবি করেন জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা। এর প্রেক্ষিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সঙ্গে যুক্তিতর্কে জড়িয়ে পড়ার এক পর্যায়ে দলীয় ও জোটসঙ্গী এনসিপির এমপিদের নিয়ে ওয়াকআউট করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

এর আগে, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনেও ওয়াকআউট করেছিলেন জামায়াত ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা। বিরোধী দলের এমন কাণ্ডকে অবশ্য সংসদের স্বাভাবিক সংস্কৃতি হিসেবেই দেখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

দ্বিতীয়বারের মতো বিরোধীদলীয় নেতাদের ওয়াকআউটের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেতা ওয়াকআউট করতে চাইলে তা সংসদের প্রচলিত সংস্কৃতির অংশ এবং তাদের সে অধিকার রয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, আলোচিত বিষয়ে সরকারের বক্তব্যও সংক্ষেপে রেকর্ডে থাকা প্রয়োজন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট মুলতবি প্রস্তাবটি ডেপুটি স্পিকার গ্রহণ করেছিলেন এবং তখনই তিনি ৬৮ বিধির আওতায় আপত্তি তুলেছিলেন। কারণ, যে বিষয় আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য, তা মুলতবি প্রস্তাবে আলোচনার বিধান নেই।

তিনি বলেন, স্পিকারের বিবেচনায় বিষয়টি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে আলোচনায় আনা হয়েছে এবং এ নিয়ে দুই ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে। তবে সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী, এ ধরনের আলোচনার পর ভোটাভুটির কোনো বিধান নেই। মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন হবে কি হবে না— এ বিষয়ে ভোটাভুটির বিধান রয়েছে। তবে সে সময় ভোটাভুটি হলে প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য গৃহীতই হতো না। 

সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, স্পিকার চাইলে কোনো মুলতবি প্রস্তাব বিবেচনা করবেন কি করবেন না—এটি তার এখতিয়ার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী বিরোধীদল কখনও কখনও সরকারি কার্যক্রম স্থগিত রাখতে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করে, যা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নজির অনুসরণে করা হয়। এ ক্ষেত্রে প্রস্তাব গৃহীত না হলেও সেটি উত্থাপনের সুযোগটিই বিরোধীদলের একটি অধিকার।

এরপর তিনি দাবি করেন, বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য সঠিক নয়। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একই বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাব ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে সংসদের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বেসরকারি সদস্যও একই ধরনের প্রস্তাব উত্থাপনের দাবি করতে পারেন, যা স্পিকারের বিবেচনার বিষয়।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস