
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার জানিপুর ইউনিয়নের ঈশ্বরদী গ্রামে এক শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে গেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষক জীমুত বাহন বিশ্বাস জানান, রাতের খাবার খাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় আটজন মুখোশধারী ব্যক্তি তার ঘরে ঢুকে পড়ে। তাদের কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও কারও হাতে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ছিল। এ সময় তার স্ত্রী সূচিত্রা বিশ্বাস চিৎকার দিলে দুর্বৃত্তরা তাকে কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করে।
চিৎকার শুনে আশপাশের গ্রামবাসী এগিয়ে এলে প্রায় পাঁচ মিনিটের মধ্যে দুর্বৃত্তরা বাড়ির পেছনের মাঠ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে যাওয়ার আগে তারা গৃহকর্তার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং পরে ফোনে কোথায় টাকা দিতে হবে তা জানানো হবে বলে হুমকি দেয়।
জীমুত বাহন বিশ্বাস বলেন, দুর্বৃত্তরা পরিবারের সদস্যদের এক ঘরে জিম্মি করার চেষ্টা করছিল। গ্রামবাসী এগিয়ে আসায় তারা দ্রুত পালিয়ে যায়। তিনি জানান, আশপাশের গ্রামগুলোতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন বেশি বাস করেন এবং এলাকায় আগে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেখা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
জানিপুর ইউনিয়নের সাবেক সদস্য স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, এলাকায় আগে ডাকাত বা সন্ত্রাসীদের তেমন উপদ্রব ছিল না। হঠাৎ করে এমন ঘটনা উদ্বেগজনক এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
খোকসা থানার তদন্ত কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন বলেন, বাড়ির মালিক দাবি করছেন কিছু লোক বাড়িতে ঢুকে দুই লাখ টাকা চাঁদা চেয়েছে। তবে পাশের এলাকায় কয়েকজন লোক তাস খেলছিলেন, তারা ডাকাতির বিষয়টি জানেন না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বাংলা৭১নিউজ/এবি