শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১০ রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন করেছি : জামায়াত আমির ফ্যাসিবাদী শাসনে ইসির প্রতি জনআস্থা শূন্যের কোটায় নেমেছিল : রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসররা যেন সংসদকে কলুষিত করতে না পারে : নাহিদ সংসদের দর্শকসারিতে ড. ইউনূস-জুবাইদা-জাইমা খালেদা জিয়া মানেই আপসহীন গণতন্ত্র আর সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী সংসদ হবে দেশের সব সমস্যা সমাধানের মূল কেন্দ্রবিন্দু : প্রধানমন্ত্রী সংসদ যেন চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয়: বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

রমজানে ইতিকাফ যেভাবে করতে হয়

বাংলা৭১নিউজ,ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

মহিমান্বিত রমজান মাসের গুরুত্ব সারা বিশ্বের মুসলিমদের কাছে অপরিসীম। আর এই রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো ইতিকাফ। ইতিকাফের শাব্দিক অর্থ অবস্থান করা। শরিয়তের পরিভাষায় ‘ইতিকাফ’ বলা হয় পুরুষের জন্য নিয়তসহ এমন মসজিদে অবস্থান করা, যেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। 

পবিত্র রমজানের শেষ দশ দিন মসজিদে ইতিকাফ করা একটি জরুরি আমল। এ সময় সারা দেশে সুন্নত ইতিকাফে বসেন মুসল্লিরা। 

আর মহিলাদের রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের জন্য ইতিকাফ হলো, নিয়তসহ ঘরের ভেতর নামাজের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থানে অবস্থান করা। নবীজি রসুল সা. রমজান মাসের শেষ ১০ দিনে ইতিকাফ করতেন।

ইতিকাফ করা সুন্নতে কেফায়া। সকলের পক্ষ থেকে একজন আদায় করলে সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। আর একজনও না করলে মহল্লার সবাই গুনাহগার হবে।

রমজান মাসের ২০ তারিখ আসরের নামাজের পর হতে মসজিদে প্রবেশ করতে হয়। ২৯ বা ৩০ তারিখ শাওয়ালের চাঁদ দেখার পর মাগরিবের পূর্বে ইতিকাফ শেষ করতে হয়। ১০ দিন ইতিকাফ করা সম্ভব না হলে শেষের একদিন ইতিকাফ করা যায়।
 
ইতিকাফ শুদ্ধ হওয়ার শর্ত হলো, মুসলমান হওয়া, জ্ঞানবান হওয়া, জানাবাত এবং হায়িজ ও নিফাস থেকে পবিত্র হওয়া। ইতিকাফের অবস্থায় নেকের কথা ছাড়া অপ্রয়োজনীয় কথা না বলা। ইতিকাফের অবস্থায় করণীয় কিছু কাজ হলো কোরআন মজিদ তিলাওয়াত করা, হাদিস পাঠ করা, ইলম শিক্ষা করা ও শিক্ষা দেওয়া, বিশেষ করে জিকিরে ও কিয়ামুল লাইলে সময় অতিবাহিত করা।
 
ইতিকাফকারী ব্যক্তি আল্লার নৈকট্য লাভের জন্য নিজেকে সম্পূর্ণরূপে তার ইবাদতে নিয়োজিত রাখবেন। দুনিয়াদারি কাজকর্ম থেকে দূরে থাকবেন। এ সময় স্ত্রী-সংস্রবও নিষিদ্ধ। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নির্দেশ ‘ওয়ালা তুবাশিরু হুন্না ওয়া আনতুম আকিফুনা ফিল মাসজিদ’ অর্থাৎ আর তোমরা যখন মসজিদে ইতিকাফ করবে তখন স্ত্রীদের সঙ্গে সহবাস করবে না। (সুরা আল বাকারা, আয়াত ১৮৭)।
 
রোজার মাসে অন্য সময়ে রাতে স্ত্রীসম্ভোগ বৈধ হলেও ইতিকাফের সময় স্ত্রীর সঙ্গে মেলামেশাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যাতে করে পরিপূর্ণভাবে এই সময়ে নিজেকে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করা যায়।
 
ইতিকাফের জন্য নিয়ত করা ইতিকাফের শর্ত। বিনা নিয়তে ইতিকাফ করলে সহিহ হবে না। এমন মসজিদে ইতিকাফ করা উচিত যেখানে নামাজের জামায়াত হয়।

ইতিকাফের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান হলো মসজিদুল হারাম, এরপর মসজিদে নববি, এরপর বায়তুল মোকাদ্দাস, তারপর জামে মসজিদ, এরপর যে মসজিদে মুসল্লির সংখ্যা বেশি। বিনা কারণে মসজিদ থেকে বের হলে ইতিকাফ ভঙ্গ হবে। একইভাবে মহিলা তার ঘরের নির্ধারিত স্থান থেকে বের হবেন না। তবে প্রস্রাব, পায়খানা ও জুমার নামাজ আদায় ইত্যাদি ওজরের কারণে মসজিদ থেকে বের হওয়া যাবে। ইতিকাফের স্থানেই ঘুম ও পানাহার বিধেয়। 

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com