ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শুধু শরীর নয়, মনও ভালো রাখতে পারে ফলের রস Logo পোশাক কারখানায় সবুজ প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ Logo নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব Logo প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় ঢাকা Logo কলকাতার রাজপথে জয়া আহসান, মিশ্র প্রতিক্রিয়া Logo নারায়ণগঞ্জে নির্মীয়মাণ ভবন থেকে পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল উদ্ধার Logo জনগণের জীবনমানের উন্নয়নই সরকারের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী Logo এমপিদের স্বাধীনভাবে ভোটের সুযোগ দিতে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে হবে Logo গাইবান্ধায় দ্বিগুন দামে চারা কিনে ধান রোপন করছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা Logo প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হোটেল বলে পর্যটককে হুমকি সী-গালের ম্যানেজার গ্রেপ্তার

‘নবীন কর্মকর্তাদের ভূমিকা কৃষিকে অর্থনীতির শক্তিতে রূপান্তর করবে’

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিপণ্যকে দেশের প্রধান রফতানি খাত হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে কৃষির বিপুল সম্ভাবনা অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপ নেবে এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে ৪৪তম বিসিএস (প্রাণিসম্পদ) ক্যাডারদের পাঁচ দিনব্যাপী অবহিতকরণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ বছরের চার থেকে আট মাস তুষারাচ্ছন্ন থাকে। সীমিত কৃষি মৌসুম থাকা সত্ত্বেও তারা কৃষিকে অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের অনুকূল জলবায়ু ও উর্বর মাটির কারণে সারা বছর উৎপাদনের সুযোগ থাকলেও প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সাফল্য পেতে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

‘গরুর গোবর সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমবে, পরিবেশ দূষণ হ্রাস পাবে এবং মাটির উর্বরতা বজায় থাকবে। বিপুল অর্থ ব্যয় করে সার আমদানির পরিবর্তে দেশীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।’ বলেন মন্ত্রী।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব। সততা, দায়বদ্ধতা ও দক্ষতার সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কাজ করলে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা খাতে টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি হবে।

প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, খামারিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সহজ ঋণ ও বীমা সুবিধা এবং বাজারজাতকরণে সহায়তার জন্য ফার্মাস কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র খামারি ও উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করেই এ খাতের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের। সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো. বয়জার রহমান। এছাড়া মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক ড. বেগম সামিয়া সুলতানাসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মেধাবী নবীন কর্মকর্তাদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন।

বাংলা৭১নিউজ/এএস

Tag :

শুধু শরীর নয়, মনও ভালো রাখতে পারে ফলের রস

‘নবীন কর্মকর্তাদের ভূমিকা কৃষিকে অর্থনীতির শক্তিতে রূপান্তর করবে’

আপডেট সময় ১০:৩২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ বলেছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষিপণ্যকে দেশের প্রধান রফতানি খাত হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে কৃষির বিপুল সম্ভাবনা অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপ নেবে এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে ৪৪তম বিসিএস (প্রাণিসম্পদ) ক্যাডারদের পাঁচ দিনব্যাপী অবহিতকরণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ বছরের চার থেকে আট মাস তুষারাচ্ছন্ন থাকে। সীমিত কৃষি মৌসুম থাকা সত্ত্বেও তারা কৃষিকে অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের অনুকূল জলবায়ু ও উর্বর মাটির কারণে সারা বছর উৎপাদনের সুযোগ থাকলেও প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সাফল্য পেতে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

‘গরুর গোবর সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমবে, পরিবেশ দূষণ হ্রাস পাবে এবং মাটির উর্বরতা বজায় থাকবে। বিপুল অর্থ ব্যয় করে সার আমদানির পরিবর্তে দেশীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।’ বলেন মন্ত্রী।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান দায়িত্ব। সততা, দায়বদ্ধতা ও দক্ষতার সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কাজ করলে কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা খাতে টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি হবে।

প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, খামারিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সহজ ঋণ ও বীমা সুবিধা এবং বাজারজাতকরণে সহায়তার জন্য ফার্মাস কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষুদ্র খামারি ও উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করেই এ খাতের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের। সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান। স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো. বয়জার রহমান। এছাড়া মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট-এর মহাপরিচালক ড. বেগম সামিয়া সুলতানাসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী মেধাবী নবীন কর্মকর্তাদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন।

বাংলা৭১নিউজ/এএস