ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুল হলে ক্ষমা করবেন, দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন

নতুন সরকার গঠনের পরপরই পেশাগত জীবনে ফিরে যাবেন জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, আমি আগে কখনো কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। আবারও সেই নিরিবিলি জীবনে ফিরে যেতে চাই। আমার ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, সেজন্য ক্ষমা করবেন। তবে একটি শেষ অনুরোধ—আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি সই নিয়ে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ছোট খামারি ও বড় উদ্যোক্তা—উভয় পক্ষকেই অন্তর্ভুক্ত রেখে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির পথে এগিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। ভবিষ্যতেও তার উত্তরসূরিরা একই ধারাবাহিকতায় কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

শেখ বশিরউদ্দীন জানান, বিভিন্ন প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে সাংবাদিকরা তাকে জবাবদিহির মধ্যে রেখেছেন। এতে তার কাজের গতি যেমন বেড়েছে, তেমন যেসব জায়গায় ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারে আসার সময় আমার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে চেষ্টার কোনো কমতি রাখিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করিনি। সম্মিলিতভাবে আল্লাহ তাআলা বরকত দিয়েছেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় তিনি দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। কোনো বিষয়ে যখনই পরামর্শ বা নির্দেশনার প্রয়োজন হয়েছে, তখনই তিনি আন্তরিকতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দিকনির্দেশনা পেয়েছেন।

 

তিনি বলেন, যত কিছু সম্ভব হয়েছে আমি মনে করি প্রধান উপদেষ্টা তার নির্দেশনায়। আমরা যখনই কোনো বিষয়ে উনার নির্দেশনা বা গাইডেন্স চেয়েছি উনি সবসময় অসম্ভব দরদ এবং বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সেগুলো প্রতিপালনের চেষ্টা করেছি।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইনশাআল্লাহ্ নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার কর্মজীবনে ফিরে যাবো। আশা করি, আপনারা আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফ করে দেবেন। আমি ভুলে থাকতে চাই। আপনাদের মাধ্যমে একটি স্বনির্বন্ধ অনুরোধ করতে চাই, শেষ অনুরোধ—দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

ভুল হলে ক্ষমা করবেন, দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন

আপডেট সময় ০৫:৩৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নতুন সরকার গঠনের পরপরই পেশাগত জীবনে ফিরে যাবেন জানিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, আমি আগে কখনো কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলাম না। আবারও সেই নিরিবিলি জীবনে ফিরে যেতে চাই। আমার ভুলত্রুটি থাকতেই পারে, সেজন্য ক্ষমা করবেন। তবে একটি শেষ অনুরোধ—আমাকে দয়া করে ভুলে যাবেন।

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি সই নিয়ে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ছোট খামারি ও বড় উদ্যোক্তা—উভয় পক্ষকেই অন্তর্ভুক্ত রেখে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির পথে এগিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। ভবিষ্যতেও তার উত্তরসূরিরা একই ধারাবাহিকতায় কাজ করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

শেখ বশিরউদ্দীন জানান, বিভিন্ন প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে সাংবাদিকরা তাকে জবাবদিহির মধ্যে রেখেছেন। এতে তার কাজের গতি যেমন বেড়েছে, তেমন যেসব জায়গায় ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারে আসার সময় আমার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। তবে চেষ্টার কোনো কমতি রাখিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করিনি। সম্মিলিতভাবে আল্লাহ তাআলা বরকত দিয়েছেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় তিনি দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন। কোনো বিষয়ে যখনই পরামর্শ বা নির্দেশনার প্রয়োজন হয়েছে, তখনই তিনি আন্তরিকতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে দিকনির্দেশনা পেয়েছেন।

 

তিনি বলেন, যত কিছু সম্ভব হয়েছে আমি মনে করি প্রধান উপদেষ্টা তার নির্দেশনায়। আমরা যখনই কোনো বিষয়ে উনার নির্দেশনা বা গাইডেন্স চেয়েছি উনি সবসময় অসম্ভব দরদ এবং বুদ্ধিমত্তা দিয়ে আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সেগুলো প্রতিপালনের চেষ্টা করেছি।

শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইনশাআল্লাহ্ নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার কর্মজীবনে ফিরে যাবো। আশা করি, আপনারা আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফ করে দেবেন। আমি ভুলে থাকতে চাই। আপনাদের মাধ্যমে একটি স্বনির্বন্ধ অনুরোধ করতে চাই, শেষ অনুরোধ—দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ