ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক হামলা শুরু করেছে দখলদার ইসরায়েল। আজ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত উপত্যকাটিতে নতুন করে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন।
এরমধ্যে সর্বশেষ হামলায় গাজার পুলিশ সদরদপ্তরকে টার্গেট করেছে ইসরায়েলি সেনারা। সেখানে সাতজন নিহতসহ বহু মানুষ আহত হয়েছেন। পুলিশের সদরদপ্তর গাজা সিটির শেখ রেদওয়ান এলাকায় অবস্থিত।
এরআগে ভোরে মধ্য গাজায় পাঁচজন এবং দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসিতে আরও সাতজন নিহত হন।
সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের নতুন হামলাকে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তারা বলেছে, ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে।
গত বছরের অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। চার মাস ধরা এ যুদ্ধবিরতি শুরু থেকেই নড়েবড়ে ছিল। ইসরায়েলের দখলদার সেনারা যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল পাঁচশর বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।
আলজাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ মধ্য গাজা থেকে জানিয়েছেন, ইসরায়েলের নতুন এ হামলার পর গাজার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ইসরায়েলি সেনারা বিক্ষিপ্ত হামলা চালালেও আজ সকাল থেকে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত এ যুদ্ধে ইসরায়েল ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
বাংলা৭১নিউজ/এসএম