জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোড ম্যাপ (কর্মপরিকল্পনা) চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নথি অনুমোদন করেছে কমিশন। আজ বৃহস্পতিবার এ রোড ম্যাপ ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, রোড ম্যাপে নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো কখন কোনটি শেষ হবে তা উল্লেখ রয়েছে। ওই সময়সূচী ধরে নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ করবে ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বুধবার (২৭ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টার সংবাদ সম্মেলনে আজ (বৃহস্পতিবার) রোড ম্যাপ ঘোষণার কথা জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমরা কিছু কাজ করছি। হয়তো বৃহস্পতিবার আপনাদের আরও কিছু বাড়তি তথ্য দেওয়ার সুযোগ পাবো। এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, আমরা যে কর্মপরিকল্পনাটা (রোড ম্যাপ) করেছি, সে কর্মপরিকল্পনাটা (রোড ম্যাপ) আপনাদের জানাব।
এর আগে, বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব এ নিয়ে বৈঠকও করেন। বৈঠকে রোড ম্যাপ অনুমোদন দেওয়া হয়। ই সময়ে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘কর্মপরিকল্পনার সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে। অনুমোদন হয়েছে, এখন শুধু টাইপিং চলছে।
ইসি সূত্র জানায়, রোড ম্যাপে সেপ্টেম্বর মাসে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করতে যাচ্ছে কমিশন। এছাড়া আইন সংস্কার, সংসদীয় আসনের সীমানা চূড়ান্তকরণ, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, পর্যবেক্ষক নিবন্ধন, ভোটার তালিকা হালনাগাদ, নির্বাচনি সামগ্রী ক্রয়, প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও ভোটের ব্যালট, ফরমসহ বিভিন্ন ধরনের খাম মুদ্রণ, ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ এবং নির্বাচনি প্রশিক্ষণ কোন সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে তা উল্লেখ থাকবে রোড ম্যাপে। তবে রোড ম্যাপে নির্বাচনের তপসিল ঘোষণা এবং ভোটের তারিখ উল্লেখ থাকবে না।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির মাসের শুরুতে নির্বাচন এবং ডিসেম্বর মাসে তপসিল ঘোষণা করবে ইসি। ঐ লক্ষ্য সামনে রেখে এ রোড ম্যাপ ঘোষণা করতে যাচ্ছে কমিশন। তারা আরও জানান, নির্বাচনি প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো চলমান রয়েছে। রোড ম্যাপে এসব কাজ কোন সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে সেই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনে মানুষের শঙ্কা কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করেন তারা।
বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ