
শরীয়তপুরে ঢাকাগামী একটি রোগীবহনকারী অ্যাম্বুলেন্স দুই দফা আটকে রাখায় অসুস্থ অবস্থায় জমশেদ আলী ঢালী নামে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সুমন খান নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে পালং মডেল থানায় নিহতের নাতি জোবায়ের হোসেন রোমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলায় যে চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেই আসামিরা হলেন- সদর উপজেলার কাচারি কান্দি এলাকার সুলতান খানের ছেলে সুমন খান, চন্দ্রপুর এলাকার সজীব, চিকন্দী এলাকার হান্নান এবং নড়িয়া উপজেলার পারভেজ।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়- গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় জমশেদ আলী ঢালীকে শরীয়তপুর থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অভিযুক্তরা দুই দফা অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করে রাখে। এতে করে রোগী সময়মতো চিকিৎসা পেতে ব্যর্থ হন এবং পথেই তাঁর মৃত্যু ঘটে।
পালং মডেল থানার পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় অভিযুক্ত সুমন খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম বলেন, অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখার কারণে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
বাংলা৭১নিউজ/এসএস