
ভয়াবহ অনিশ্চয়তা দিয়ে শুরু হয়েছিল ২০২৫ সাল। টালমাটাল রাজনীতি, বিপর্যস্ত অর্থনীতি আর সমাজের প্রতিটি স্তরে নানান অসন্তোষ ও অস্থিরতায় কেটেছে যে বছরটি আজ তার শেষ হতে যাচ্ছে কিছুটা স্বস্তি আর একরাশ বিষাদ নিয়ে। ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে ২৫ ডিসেম্বর স্বদেশভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের মাটিতে পা দিয়ে প্রথম জনসম্মুখ ভাষণে দেশব্যাপী মঞ্চে উঠেই ছড়িয়ে দেন শান্তির বাণী। জানিয়ে দেন ১৮ কোটি মানুষকে নিয়ে রয়েছে তাঁর পরিকল্পনা। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় নিমজ্জিত মানুষ সামনে শুভ দিনের আশায় উদ্বেলিত হয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। এ স্বস্তি নিয়ে দেশবাসী যখন পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত তখনই ধেয়ে এলো সেই বিষাদের ছায়া। ৩০ ডিসেম্বর কুয়াশাঢাকা সকালে ভেসে এলো এক মর্মান্তিক সংবাদ। দেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের আপসহীন নেত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। দলমতনির্বিশেষে দেশের প্রতিটি মানুষ শোকে মুহ্যমান হলো। এর আগে ১৩ ডিসেম্বর সুদানে শান্তিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশের ছয় সেনা সদস্যের মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান হয় দেশবাসী। এভাবেই রাজনীতির ঘনঘটা, স্বস্তি আর বিষাদের কালো ছায়ায় আচ্ছন্ন ঘটনাবহুল ২০২৫ সাল শেষ হতে যাচ্ছে।
বিপর্যস্ত অর্থনীতি : চারপাশে এত বেশি অনিশ্চয়তা সহ্য করতে পারেনি দেশের অর্থনীতি। ব্যবসাবাণিজ্যে ধস নামে। একের পর এক কারখানা বন্ধ হতে থাকে। এর মাঝে চলতে থাকে শ্রমিক আন্দোলন। জুলাই অভ্যুত্থানকে পুঁজি করে একটি অসাধু গোষ্ঠী ব্যবসায়ী উদ্যোক্তাদের নামে মিথ্যা মামলা চাপিয়ে দেয়। চাঁদা দাবি করে কোটি কোটি টাকা। টাকা না দিলে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। এসব সংকটের পাশাপাশি শুরু হয় ব্যাংকিং খাতের সংকট। অনেক ব্যাংক মূলধন সুবিধা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। এমনকি এলসি সুবিধাও বন্ধ রাখে অনেক ব্যাংক। মূলধন আর কাঁচামালের অভাবে বন্ধ হয়ে যায় শিল্প কারখানা। বাড়তে থাকে ব্যাংক ঋণের সুদ। একপর্যায়ে কেউ কেউ কারখানা বন্ধ করে দেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবসায়ীরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ চান। সেই সুযোগও দেওয়া হয় না। ভয়াবহ অনিশ্চয়তায় দেশের বেসরকারি খাত মুখ থুবড়ে পড়ে।
নিরাপত্তাহীন সাধারণ মানুষ : অনিশ্চয়তা নিয়ে দিন কেটেছে সাধারণ মানুষেরও। চাকরির অনিশ্চয়তা, বেতনের অনিশ্চয়তার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় হয়ে দেখা দেয় নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা। কারখানা বন্ধের ফলে বেকার হয়ে পড়েন শত শত শ্রমিক। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দিনদুপুরে ছিনতাই-রাহাজানি, চুরি-ডাকাতির ঘটনা ঘটতে থাকে।
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শিবিরের জয়জয়কার : জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে ছাত্রশিবির। প্রকাশ্যে আসার এক বছরের মাথায় গত ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিশাল জয় পেল তারা। এরপর একে একে জাকসু, রাকসু ও চাকসুতে বিজয়ী হয়ে দেশের চার প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে চলে আসে। তবে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের টেলিফোন করে শিক্ষকদের পদত্যাগে বাধ্য করাসহ নানা কর্মকাণ্ড বিভিন্ন মহলে সমালোচিত হয়।
জুলাই সনদ, গণভোট নিয়ে মতভেদ : জুলাই ঘোষণা, জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। সেই মতভেদ কমিয়ে ৫ আগস্ট জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জনসমাবেশে জুলাই ঘোষণা দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে সেই ঘোষণায় শামিল হয়নি অভ্যুত্থান থেকে সৃষ্ট রাজনৈতিক দল এনসিপি। দফায় দফায় আলোচনার পর ১৭ অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে একই জায়গায় জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়। এরপর মতবিরোধ দেখা দেয় গণভোট অনুষ্ঠানের সময় নিয়ে। জামায়াতে ইসলামীসহ এনসিপি ও সমমনা দলগুলোর দাবি ছিল নির্বাচনের আগে গণভোট। প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি নির্বাচনের দিন গণভোটের দাবিতে অনড় থাকে।
একের পর এক আন্দোলন : ২০২৫ সালের পুরো সময়ই ছিল নানামুখী আন্দোলন। চাকরিচ্যুতি ও পুনর্বহালের আন্দোলন, গণ অভ্যুত্থানে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার, শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আহতদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত, সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন দাবি, শ্রমিক স্বার্থ, শিক্ষাসংশ্লিষ্ট আন্দোলন, সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর আন্দোলন, পরিবহন ও যানবাহনসংক্রান্ত, অটোরিকশাসংশ্লিষ্টসহ আরও অনেক দাবি। এসব দাবির বাইরে এনবিআর সংস্কার ইস্যুতে আন্দোলন করে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী। শেষ দিকে বিশেষ ভাতার দাবিতে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টাকে আটকে রাখার ঘটনাও ঘটে। বছরের শেষ সময়েও শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার বিচারের দাবিতে শাহবাগে আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে ইনকিলাব মঞ্চ।
মব ভায়োলেন্স জনমনে আতঙ্ক : ২০২৫ সালের পুরোটা সময়ই একের পর এক ‘মব ভায়োলেন্স’ বা ‘দলবদ্ধ আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক বা ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাবে, বছরের প্রথম ছয় মাসে অন্তত ১৪১টি মবের ঘটনায় ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পুরান ঢাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে একজন ভাঙারি ব্যবসায়ীকে জনসমক্ষে পিটিয়ে ও পাথর দিয়ে বুক ও মাথা থেঁতলে দিয়ে হত্যার ঘটনায় তোলপাড় হয়। বছরের শেষ দিকে মব ভায়োলেন্সের চূড়ান্ত মঞ্চায়ন ঘটে প্রথম আলো ডেইলি স্টারে আক্রমণের মধ্য দিয়ে। ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকায় পাইওনিয়ার নিট কম্পোজিট কারখানায় ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে হত্যা করা হয়। গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে পিটিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করার পর লাশ আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ১৯ ডিসেম্বর রাতে লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তরা বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পেট্রোল ঢেলে এক বিএনপি নেতার বসতঘরে আগুন দেয়। এ আগুনে পুড়ে ঘটনাস্থলেই ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তারের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে মারা যায় অগ্নিদগ্ধ কলেজগামী বড় বোন। এর বাইরে বছরের বিভিন্ন সময় মাজারে অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও হামলা চালানো হয়।
গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩২ নম্বরের বাড়ি : ভারতে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার বক্তৃতা প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িটির অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এক্সকাভেটর (খননযন্ত্র), ক্রেন ও বুলডোজার দিয়ে বাড়িটির অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
শেখ হাসিনার ফাঁসি ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ : এসব অস্থিরতা অনিশ্চয়তার মধ্যে বছরের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল গুম খুনসহ জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে যে মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটেছে তার বিচারের রায়। সেই রায়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ হয়। ১৭ নভেম্বর দুপুর ২টা ৪৭ মিনিটে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেয়। সেই সঙ্গে অপর দুই আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের মৃত্যুদণ্ড ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ওসমান হাদির মৃত্যু : জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা আট আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি। ১৮ ডিসেম্বর রাতে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওসমান হাদি মারা যান। তদন্তসংশ্লিষ্টরা হাদিকে গুলিবর্ষণকারী হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে শনাক্ত করে। ওই আসামি ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আলোচনা রয়েছে। মৃত্যুর পর তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পাশে সমাহিত করা হয়।
সুদানে ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মৃত্যু : ডিসেম্বরে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত সুদানের ছয় সেনা সদস্যের মৃত্যুতে শোকগ্রস্ত হয় দেশের মানুষ। আইএসপিআরের ভাষ্য, ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। এতে ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও নয়জন আহত হন।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তলানিতে : জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া ও তার বক্তব্য বিবৃতি প্রচারের কারণে পাশ্বর্বর্তী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে তিক্ততার সৃষ্টি হয়। এ তিক্ততা কূটনৈতিক ক্ষেত্র থেকে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও প্রভাব রাখে। বিভিন্ন পণ্যে আমদানি ও রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে উভয় দেশ। সর্বশেষ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে তলানিতে পৌঁছে দুই দেশের সম্পর্ক। একে অপরের কূটনীতিকদের তলব করে প্রতিবাদ জানায়। পরিস্থিতি এত নাজুক যে দিল্লি থেকে রাষ্ট্রদূতকে জরুরি তলব করে ঢাকায় আনা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে স্বাধীনতার পর দুই দেশের সম্পর্ক কখনো এমন নাজুক পর্যায়ে যায়নি।
অবশেষে নির্বাচনমুখী দেশের মানুষ : গণ অভ্যুত্থানের পর নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্ন, শঙ্কা ও অনিশ্চয়তা যখন দানা বেঁধেছিল তখন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন সিইসি। জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি জানান, নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে কাক্সিক্ষত সংসদ নির্বাচন। ইসির ঘোষণার পরও নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয় শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর ঘটনায়। এর আগে সংস্কার, জুলাই ঘোষণা ও গণভোট নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল সেই অনিশ্চয়তাকেও ছাপিয়ে যায় এটি। এরই মধ্যে শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ২৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ অবস্থায় দেশের মানুষের কাছে প্রশ্ন হয়ে দেখা দেয় অসুস্থ মা-কে দেখতে তারেক রহমান কি দেশে ফিরবেন? এতসব প্রশ্ন আর অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ২৫ ডিসেম্বর স্বদেশভূমিতে প্রত্যাবর্তন করেন তারেক রহমান। ফুলেল শুভেচ্ছায় তাঁকে বরণ করে নেয় লাখো জনতা। আবার নির্বাচনমুখী হয় দেশের মানুষ। ৩০ ডিসেম্বর কুয়াশাঢাকা ভোরে দেশের মানুষকে কাঁদিয়ে চিরতরে বিদায় নেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দেশের মানুষের যখন দীর্ঘদিন পর ভোট দিয়ে একটি নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার কথা… তখন গণতন্ত্রের এক সংগ্রামী নেতার জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে…। বিদায় ২০২৫! বিদায় বেগম খালেদা জিয়া!
বাংলা৭১নিউজ/জেএস