ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

নৈরাজ্য প্রতিরোধে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নাই: মির্জা ফখরুল

দেশে চলমান সহিংসতা ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল রাজনৈতিক দলকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান অস্থিতিশীল অবস্থা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি জাতীয় নির্বাচন বানচালের এক সুগভীর ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্র রুখতে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ইস্পাতকঠিন ঐক্য এখন সময়ের দাবি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের নতুন সংস্করণ হিসেবেই গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে। এই নৈরাজ্য কেবল একটি দলকে নয়, বরং পুরো রাষ্ট্রকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

বিএনপি মহাসচিবের মতে, দেশে যেভাবে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়া হচ্ছে এবং বরেণ্য ব্যক্তিদের অপমান করা হচ্ছে, তা একক কোনো দলের পক্ষে মোকাবিলা করা কঠিন। 

তিনি আরও বলেন, নৈরাজ্যবাদীরা চায় দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে, যাতে জনগণের ভোটাধিকার আবারও কেড়ে নেওয়া যায়। এই অপশক্তিকে পরাজিত করতে হলে সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তিকে ভেদাভেদ ভুলে এক মঞ্চে দাঁড়াতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেয়, তবে সব রাজনৈতিক দল তাদের সহযোগিতা করবে। তবে তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, প্রশাসনের শিথিলতা বা  নিষ্ক্রিয়তা অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের আরও উৎসাহিত করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থানই পারে জনমনে স্বস্তি ফেরাতে এবং নির্বাচনের জন্য একটি সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে।

উদীচী কার্যালয়ে আগুন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতাকে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আবারও জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

অবশেষে পে স্কেল নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী

নৈরাজ্য প্রতিরোধে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নাই: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ১১:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশে চলমান সহিংসতা ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল রাজনৈতিক দলকে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমান অস্থিতিশীল অবস্থা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি জাতীয় নির্বাচন বানচালের এক সুগভীর ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্র রুখতে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ইস্পাতকঠিন ঐক্য এখন সময়ের দাবি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের নতুন সংস্করণ হিসেবেই গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হচ্ছে। এই নৈরাজ্য কেবল একটি দলকে নয়, বরং পুরো রাষ্ট্রকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

বিএনপি মহাসচিবের মতে, দেশে যেভাবে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেওয়া হচ্ছে এবং বরেণ্য ব্যক্তিদের অপমান করা হচ্ছে, তা একক কোনো দলের পক্ষে মোকাবিলা করা কঠিন। 

তিনি আরও বলেন, নৈরাজ্যবাদীরা চায় দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে, যাতে জনগণের ভোটাধিকার আবারও কেড়ে নেওয়া যায়। এই অপশক্তিকে পরাজিত করতে হলে সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তিকে ভেদাভেদ ভুলে এক মঞ্চে দাঁড়াতে হবে।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার যদি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেয়, তবে সব রাজনৈতিক দল তাদের সহযোগিতা করবে। তবে তিনি সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, প্রশাসনের শিথিলতা বা  নিষ্ক্রিয়তা অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের আরও উৎসাহিত করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থানই পারে জনমনে স্বস্তি ফেরাতে এবং নির্বাচনের জন্য একটি সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে।

উদীচী কার্যালয়ে আগুন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতাকে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আবারও জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস