শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চ্যাম্পিয়নদের জন্য আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর টাইব্রেকারে ভারতকে কাঁদিয়ে সাফে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত আসতে পারে: অর্থমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত ৯৪৭, মৃত্যু ৩ আর একটু সময় পেলে সহজেই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে পারব: ট্রাম্প দাবদাহে পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা, মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বাসের চাকা ফেটে সেতুতে ধাক্কা, প্রাণ গেল ৩ জনের ট্রাম্পের নতুন হুমকিতেও অনড় ইরান, বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলাকে ‌‌‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা শত্রুপক্ষের হামলায় ভেঙে গেল ইরানের সবচেয়ে উঁচু সেতু, শতাধিক হতাহত এবার বিকল্প পথে সৌদি থেকে আসছে ১ লাখ টন তেল

এনবিআরের সংস্কার না হলে রাজস্ব ঘাটতি চলতেই থাকবে : সিপিডি

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার না হলে রাজস্ব ঘাটতি চলতেই থাকবে বলে মনে করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সংস্কার না হওয়ায় প্রতিবছর এনবিআর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে না।

আজ রবিবার সকালে রাজধানী গুলশানের একটি হোটেলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আয়োজিত ডায়ালগে এসব কথা জানান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

তিনি বলেন, এনবিআর প্রতিবছর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কর‍তে পারে না.. কেনো সেটা পারে না? কারণ সেখানে কোনো কাঠামোগত বা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এখনো হয়নি। সংস্কার ছাড়া এই ধরনের কাঠামো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে রেখে এ রকম ঘাটতি চলতেই থাকবে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. মাশরুর রিয়াজ, বিজিএমইএ এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ইনামুল হক খান, ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালা, শ্রমিক নেতা রাজেকুজ্জামান রতন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূচনা বক্তব্যে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এবার বাজেট ঘোষণার পর যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়নি, যার কারণে জনগণ ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর মতামত নীতিনির্ধারকদের কাছে পৌঁছানো যায়নি। আমার কাছে মূল বিষয় হচ্ছে রাজস্ব আয়। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে প্রত্যক্ষ আয় বেশি, পরোক্ষ আয় কম।

কিন্তু আমাদের দেশে উল্টো আমাদের পরোক্ষ কর যা মূলত সাধারণ জনগণের ওপর পরে সেটা বেশি। আমাদের রাজস্ব আয়ের দুই তৃতীয়াংশ হচ্ছে পরোক্ষ কর। এক তৃতীয়াংশ হচ্ছে প্রত্যক্ষ কর। কিন্তু বাজেটের দর্শন হচ্ছে পুনর্বন্টন।

যাদের আয় বেশি তাদের থেকে বেশি কর আদায় করা। যারা অবহেলিত বা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী রয়েছে তাদের ওই করের টাকা ব্যয় করা। অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা। পুনর্বণ্টনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে বাজেটে সে বড় ধরনের পরিবর্তন দিতে পারে নাই। অথচ জুলাই-আগস্টের পর আমাদের বড় আকাঙ্খা ছিল। এবারে ব্যতিক্রমী বাজেট হবে, আমরা দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com