দেশের চার জেলার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। একই সঙ্গে এসব এলাকার নৌবন্দরসমূহে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ শনিবার (৯ মে) ভোর ৫টা থেকে
দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে তীব্র গতিতে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলকে আগামী ৩৬ ঘণ্টার জন্য সতর্কতা জারি করেছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (০৭ মে) রাত
দেশের ১৮ অঞ্চলে দুপুর ১টার মধ্যে বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো- রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া,
দেশের পাঁচ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বুধবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য অব্যাহত থাকায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) বিকেলে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ
দেশের ছয় বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অতিভারী বৃষ্টির কারণে এসব অঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায়
টানা ৩ দিন ধরে দেশজুড়ে বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল (বুধবার) দেশে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ ১২১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়। ঢাকায়ও একদিনে ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর
দেশের ১৭টি অঞ্চলের উপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক
রাত থেকেই ঘন কালো মেঘে ঢেকে ছিল ঢাকার আকাশ। ভোরের আলো পুরোপুরি ফুটতে না ফুটতেই আকাশ ভেঙে নেমে আসে ঝুম বৃষ্টি। এতে করে নগরজীবন কিছুটা স্থবির হয়ে পড়ে। এমন বৃষ্টি
দেশের ৭টি বিভাগের উপর দিয়ে কালবৈশাখি ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত বেলা ১১টা থেকে পরবর্তী ৪৮