ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সতর্ক করার পরও লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্ট Logo সরকার পতন চাই, তবে বাংলাদেশ বা নেপালের মতো করে নয়: প্রকাশ রাজ Logo ডেঙ্গু পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতাল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী Logo কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে একই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু Logo বিয়ে করছেন অনিরুদ্ধ-কাব্যা Logo শোয়েব মালিকের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনে বিরক্ত অভিনেত্রী Logo অনুমোদনহীন নির্মাণের কারণে ভেঙে ফেলা হচ্ছে অজয়ের বাংলো! Logo কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত বেড়ে ১০ Logo ‘হলের ছাদ এখন ভীতিকর জায়গা, লিফটে গাঁজার তীব্র গন্ধ’ Logo সব হাসপাতালের লাইব্রেরিতে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা ৩ বই রাখার নির্দেশ

‘ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার, নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুকে এক বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাই। হিন্দু ধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে যার যার ধর্ম পালন করবে। ধর্মীয় উৎসব পালন করছে, করবে, এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। এভাবে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্ব।

সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সকল ধর্মেরই মূল উপজীব্য উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা। সুতরাং যার যার ধর্মীয় বিধান এবং সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল ও বজায় রাখা সবার জন্যই জরুরি।

সরকারপ্রধান বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর এবার বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার।

সৌহার্দ্য সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ধর্ম যার যার-রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেরা, আপনারা উৎসাহ উদ্দীপনা সহকারে, নিশ্চিন্তে, নিরাপদে সারা দেশে উৎসব আনন্দ উদযাপন করুন। আপনাদেরকে আবারও শুভেচ্ছা।

এর আগে, গতকাল সকালে মন্দিরে মন্দিরে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মাধ্যমে এবারের দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। যার সমাপন হবে বুধবার বিজয়া দশমীতে; প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

সতর্ক করার পরও লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্ট

‘ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার, নিশ্চিন্তে দুর্গাপূজা উদযাপন করুন’

আপডেট সময় ১২:৩৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুকে এক বার্তায় এ শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী।

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানাই। হিন্দু ধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঙ্গে যার যার ধর্ম পালন করবে। ধর্মীয় উৎসব পালন করছে, করবে, এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। এভাবে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্ব।

সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সকল ধর্মেরই মূল উপজীব্য উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা। সুতরাং যার যার ধর্মীয় বিধান এবং সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল ও বজায় রাখা সবার জন্যই জরুরি।

সরকারপ্রধান বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর এবার বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার।

সৌহার্দ্য সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ধর্ম যার যার-রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেরা, আপনারা উৎসাহ উদ্দীপনা সহকারে, নিশ্চিন্তে, নিরাপদে সারা দেশে উৎসব আনন্দ উদযাপন করুন। আপনাদেরকে আবারও শুভেচ্ছা।

এর আগে, গতকাল সকালে মন্দিরে মন্দিরে কল্পারম্ভ ও বিহিত পূজার মাধ্যমে এবারের দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। যার সমাপন হবে বুধবার বিজয়া দশমীতে; প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ