ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা: আইএমএফের কাছে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ চাইছে বাংলাদেশ Logo গুলশানে ‘পেয়ারি তেহারি’ রেস্টুরেন্টকে এক লাখ টাকা জরিমানা Logo মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও থামেনি গুলি, যুবককে হত্যার পর ৮–১০ মিনিট ফাঁকা গুলিও ছোড়া হয় Logo কুমিল্লা সীমান্তে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত দেবে বিএসএফ Logo বেহেশতের লোভ দেখিয়ে ভোট নিয়ে বিরোধীদল দায়িত্বহীন আচরণ করছেন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Logo লাউতারোর জায়গায় আর্জেন্টিনার একাদশে কি তাহলে ব্রাজিলের ক্লাবে খেলা স্ট্রাইকার Logo পারমাণবিক অস্ত্র নয়, যেভাবে ইরান যুদ্ধের ইতি টানতে চান ট্রাম্প Logo ঢাকার দুই জায়গায় গদি-ঘাট- আড়তে পাপেল চক্রের চাঁদাবাজি, মাসে আদায় হয় ‘কোটি টাকার’ বেশি Logo জেলার ২: রজনীকান্ত ম্যাজিকে বক্স অফিসে ঝড় Logo ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডকে কাযর্করী পদক্ষেপ বলছে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

বিএসএফের হাতে দুই পুলিশ সদস্য আটক খুব শিগগিরই ফেরত পাব: বিজিবি পরিচালক

কুমিল্লার শশীদল সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে যাওয়া দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফ কর্তৃক ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিজিবি পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেছেন, ইতোমধ্যে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে অফিশিয়ালি এবং আমরা খুব শিগগিরই আমাদের দুইজন পুলিশ সদস্যকে ফেরত পাব। সে প্রস্তুতি চলছে এবং তারা আনহার্ম আছে। তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। দায়িত্ব পালন করতে গেলে এ ধরনের কিছু পরিস্থিতি ঘটতে পারে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত নয়। শুক্রবার সকালে বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ওই এলাকায় সীমান্তের যে টপোগ্রাফি রয়েছে, পাহাড় এবং জঙ্গলের সমাহার। সেখানে এই বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে আমরা সর্বাত্নক সহযোগিতা করছি । আমরা আশাবাদী খুব শিগগিরই আমরা এটা সম্পন্ন করতে পারব আনহার্ম, এটা আমরা সেভাবেই যোগাযোগ রেখেছি।

তিনি বলেন, বিজিবির দায়িত্ব হচ্ছে—সীমান্ত সুরক্ষা এবং সীমান্তের অখণ্ডতা রক্ষা করা। আমাদের যে ঐতিহ্যবাহী বাহিনী এবং আমরা যেভাবে এই দায়িত্ব, রেসপন্সিবিলিটিস পালন করে আসছি, এই প্রক্রিয়াতে এই কার্যক্রমের সাথে এধরনের ইনসিডেন্ট কিন্তু নতুন নয়। তাই আমরা প্রস্তুত থাকি, আমাদের দায়িত্ব পালন করি, পাশাপাশি পেশাগতভাবে পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রেও আমরা আমাদের সব ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে থাকি। যদি আমরা ওভারল একটা স্ট্যাটিস্টিক্স নেই, মোটা দাগে সীমান্তে স্থিতিশীলতা সীমান্তের সুরক্ষা আমরা এখন পর্যন্ত মনে হয় আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারছি। যে ধরনের চ্যালেঞ্জ আসছে এগুলো আসবে এবং এগুলোকে মোকাবেলা করতে হবে। এতটুকু বলতে পারি, এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত। পাশাপাশি দেশের স্বার্থ, সীমান্ত সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বিজিবি সবসময় তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে করবে। তিনি বলেন, বিজিবি আমাদের দক্ষিণ সীমান্তে ইনফ্যাক্ট দক্ষিণ পূর্ব, মধ্যে সকল ধরনের থ্রেট, পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বজায় রেখেছি । এবং আমরা আশাবাদী যে কোনো ধরনের সিচ

য়েশন যেভাবে আসুক—আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে একটি কার্যকর সমাধান আনতে পারবো।

মাহবুব মুর্শেদ বলেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বিজিবি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এলাকার প্রয়োজন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ৪২৫টি, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার ১৮৩টি পূজামণ্ডপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সীমান্তবর্তী পূজামন্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বিজিবি মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। অন্যান্য দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। পরিস্থিতির প্রয়োজনে সহায়তা জোরদার করার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মণ্ডপগুলোর সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও রেকি কার্যক্রম গ্রহণ ক

রা হয়েছে। যাতায়াতের পথ, স্থানীয় পরিবেশ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত যথাস্থানে পৌঁছানো যায়। দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার মন্ডপগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় নিরাপত্তা সহায়তা সহজ করতে ১৮টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে কুইক রেস্পন্স ফোর্সসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। দূরত্ব বা দুর্গমতার কারণে কোনো এলাকার মানুষ যেন নিরাপত্তা সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, এটাই আমাদের লক্ষ্য। মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদানসহ দায়িত্বপ্রাপ্তদের মাঝে যোগাযোগ সহজ হবে। প্রস্তুতি যাচাই করতে মহড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ইতিমধ্যে সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যাতে প্রাপ্ত তথ্য দ্রুত মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ঢাকা মহানগরীতে বিজিবির দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। এ প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া

দিতে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে। পূজা চলাকালে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে আমাদের বিশেষ সতর্কতা বজায় থাকবে। একটি পুরোনো ছবি, অসম্পূর্ণ ভিডিও কিংবা যাচাই না করা বক্তব্য উদ্বেগ ও ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করতে পারে। তাই অনুরোধ, সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রচারের আগে সত্যতা যাচাই করুন। সন্দেহজনক কোনো বিষয় নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প, পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানান। পূজা উদযাপন কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিও অনুরোধ, দায়িত্বপ্রাপ্তদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোন উদ্বেগ থাকলে আগেই অবহিত করুন। সময়মতো পাওয়া একটি তথ্যও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিজিবি সদস্যরা প্রযোজ্য আইন এবং অনুমোদিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবেন। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষা, সংযম বজায় রাখা এবং মানুষের সঙ্গে আচরণে সৌজন্য ও সহমর্মিতা দেখানোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আপনাদের মাধ্যমে সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের আশ্বস্ত করতে চাই, আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় আচার পালন করুন, পরিবার নিয়ে আনন্দের সঙ্গে উৎসবে অংশ নিন। নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাহিনী ও প্রশাসন আপনাদের পাশে রয়েছে। স

কলের সহযোগিতায় পূজার প্রতিটি দিন আপনাদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এই নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার সঙ্গে সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ এবং অপরাধীদের তৎপরতা প্রতিরোধে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। পূজার বিশেষ দায়িত্বের পাশাপাশি বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও সীমান্ত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিজিবির বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ২ হাজার ৮৬ কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য, স্বর্ণ, বস্ত্র ও প্রসাধনীসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। এসব অভিযান দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং বৈধ ব্যবসার পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখছে। মাদক প্রতিরোধ আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখের বেশি ইয়াবা, ৪০ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস এবং প্রায় ১৬ হাজার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৯ কেজি হেরোইন, ২৮ হাজার বোতল ফেনসিডিল ও অন্যান্য মাদকও জব্দ হয়েছে। এসব মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্ত মোট ১ হাজার ৫৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব মাদকের প্রতিটি চালানের সঙ্গে কোনো তরুণের ভবিষ্যৎ এবং কোনো পরিবারের শান্তি বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা জড়িয়ে থাকে। এই উপলব্ধি নিয়ে আমাদের সদস্যরা দিন রাত দায়িত্ব পালন করছেন। একই সময়ে অবৈধ অস্ত্র বিরোধী অভিযানে ৭৮টি পিস্তল, ৭টি রাইফেল ও ১টি এসএমজিসহ ৭ টি গ্রেনেড, ১২ টি মাইন এবং ৩ হাজার ২১৩ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৯৫৭ জনকে আ

টক করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মানবপাচার প্রতিরোধে নারী ও শিশুসহ ৪২ জনকে পাচারকালে উদ্ধার এবং ২০ জন মানবপাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। প্রতিটি উদ্ধার একজন মানুষকে নিরাপদ জীবনে ফেরার সুযোগ দেয় এবং একটি পরিবারকে স্বজন ফিরে পাওয়ার আশ্বাস দেয়। পাচার প্রতিরোধে সীমান্তের মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলছে।

জোরপূর্বক পুশ-ইনের অপচেষ্টা মোকাবিলায় বিজিবি দৃঢ়তা, সংযম ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছে। ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর (২০২৬) পর্যন্ত ২৩টি সীমান্তবর্তী জেলায় ১৮২ টি ঘটনায় ১ হাজার ২৭৫ জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিরবিচ্ছিন্ন নজরদারি, টহল এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন ও প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ সুরক্ষায় সার, জ্বালানি ও ভোজ্য তেল পাচার প্রতিরোধেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ১৫৮ মেট্রিক টন রাসায়নিক সার জব্দ করা হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল এবং প্রায় ১৫ হাজার লিটার ভোজ্য তেল জব্দ হয়েছে। এসব দায়িত্ব আরও কার্যকরভাবে পালনে আধুনিক নজরদারি সরঞ্জাম, ড্রোন ও রাতের পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্তের মানুষের চিকিৎসাসেবা, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মানুষের আস্থা ও সহযোগিতাকে আমরা সীমান্ত সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করি।

তিনি বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা, দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং মানুষের জীবন ও মর্যাদা সুরক্ষায় বিজিবি দায়িত্বশীল ও পেশাদার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। এই প্রচেষ্টায় আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও গঠনমূলক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসুন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করে তুলি। মানুষ নিশ্চিন্তে প্রার্থনা করুক, পরিবার নিয়ে উৎসবে অংশ নিক এবং আনন্দ শেষে নিরাপদে ঘরে ফিরুক এই আমাদের প্রত্যাশা। সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল ভাইবোনকে আবারও শারদীয় দুর্গাপূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা। সবার জীবন শান্তি, আনন্দ ও সম্প্রীতিতে পরিপূর্ণ হোক।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা: আইএমএফের কাছে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ চাইছে বাংলাদেশ

বিএসএফের হাতে দুই পুলিশ সদস্য আটক খুব শিগগিরই ফেরত পাব: বিজিবি পরিচালক

আপডেট সময় ০১:২৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার শশীদল সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে যাওয়া দুই পুলিশ সদস্যকে বিএসএফ কর্তৃক ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিজিবি পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেছেন, ইতোমধ্যে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে অফিশিয়ালি এবং আমরা খুব শিগগিরই আমাদের দুইজন পুলিশ সদস্যকে ফেরত পাব। সে প্রস্তুতি চলছে এবং তারা আনহার্ম আছে। তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। দায়িত্ব পালন করতে গেলে এ ধরনের কিছু পরিস্থিতি ঘটতে পারে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত নয়। শুক্রবার সকালে বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ওই এলাকায় সীমান্তের যে টপোগ্রাফি রয়েছে, পাহাড় এবং জঙ্গলের সমাহার। সেখানে এই বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে আমরা সর্বাত্নক সহযোগিতা করছি । আমরা আশাবাদী খুব শিগগিরই আমরা এটা সম্পন্ন করতে পারব আনহার্ম, এটা আমরা সেভাবেই যোগাযোগ রেখেছি।

তিনি বলেন, বিজিবির দায়িত্ব হচ্ছে—সীমান্ত সুরক্ষা এবং সীমান্তের অখণ্ডতা রক্ষা করা। আমাদের যে ঐতিহ্যবাহী বাহিনী এবং আমরা যেভাবে এই দায়িত্ব, রেসপন্সিবিলিটিস পালন করে আসছি, এই প্রক্রিয়াতে এই কার্যক্রমের সাথে এধরনের ইনসিডেন্ট কিন্তু নতুন নয়। তাই আমরা প্রস্তুত থাকি, আমাদের দায়িত্ব পালন করি, পাশাপাশি পেশাগতভাবে পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রেও আমরা আমাদের সব ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে থাকি। যদি আমরা ওভারল একটা স্ট্যাটিস্টিক্স নেই, মোটা দাগে সীমান্তে স্থিতিশীলতা সীমান্তের সুরক্ষা আমরা এখন পর্যন্ত মনে হয় আমাদের দায়িত্ব পালন করতে পারছি। যে ধরনের চ্যালেঞ্জ আসছে এগুলো আসবে এবং এগুলোকে মোকাবেলা করতে হবে। এতটুকু বলতে পারি, এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত। পাশাপাশি দেশের স্বার্থ, সীমান্ত সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বিজিবি সবসময় তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে করবে। তিনি বলেন, বিজিবি আমাদের দক্ষিণ সীমান্তে ইনফ্যাক্ট দক্ষিণ পূর্ব, মধ্যে সকল ধরনের থ্রেট, পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বজায় রেখেছি । এবং আমরা আশাবাদী যে কোনো ধরনের সিচ

য়েশন যেভাবে আসুক—আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে একটি কার্যকর সমাধান আনতে পারবো।

মাহবুব মুর্শেদ বলেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে বিজিবি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এলাকার প্রয়োজন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ৪২৫টি, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার ১৮৩টি পূজামণ্ডপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সীমান্তবর্তী পূজামন্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বিজিবি মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। অন্যান্য দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। পরিস্থিতির প্রয়োজনে সহায়তা জোরদার করার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। আগামী ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মণ্ডপগুলোর সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও রেকি কার্যক্রম গ্রহণ ক

রা হয়েছে। যাতায়াতের পথ, স্থানীয় পরিবেশ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত যথাস্থানে পৌঁছানো যায়। দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার মন্ডপগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় নিরাপত্তা সহায়তা সহজ করতে ১৮টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে কুইক রেস্পন্স ফোর্সসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। দূরত্ব বা দুর্গমতার কারণে কোনো এলাকার মানুষ যেন নিরাপত্তা সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, এটাই আমাদের লক্ষ্য। মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদানসহ দায়িত্বপ্রাপ্তদের মাঝে যোগাযোগ সহজ হবে। প্রস্তুতি যাচাই করতে মহড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ইতিমধ্যে সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যাতে প্রাপ্ত তথ্য দ্রুত মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ঢাকা মহানগরীতে বিজিবির দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। এ প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া

দিতে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে। পূজা চলাকালে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে আমাদের বিশেষ সতর্কতা বজায় থাকবে। একটি পুরোনো ছবি, অসম্পূর্ণ ভিডিও কিংবা যাচাই না করা বক্তব্য উদ্বেগ ও ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করতে পারে। তাই অনুরোধ, সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রচারের আগে সত্যতা যাচাই করুন। সন্দেহজনক কোনো বিষয় নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প, পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানান। পূজা উদযাপন কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিও অনুরোধ, দায়িত্বপ্রাপ্তদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোন উদ্বেগ থাকলে আগেই অবহিত করুন। সময়মতো পাওয়া একটি তথ্যও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিজিবি সদস্যরা প্রযোজ্য আইন এবং অনুমোদিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবেন। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষা, সংযম বজায় রাখা এবং মানুষের সঙ্গে আচরণে সৌজন্য ও সহমর্মিতা দেখানোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আপনাদের মাধ্যমে সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের আশ্বস্ত করতে চাই, আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় আচার পালন করুন, পরিবার নিয়ে আনন্দের সঙ্গে উৎসবে অংশ নিন। নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাহিনী ও প্রশাসন আপনাদের পাশে রয়েছে। স

কলের সহযোগিতায় পূজার প্রতিটি দিন আপনাদের জন্য শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর থাকবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

এই নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার সঙ্গে সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ এবং অপরাধীদের তৎপরতা প্রতিরোধে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। পূজার বিশেষ দায়িত্বের পাশাপাশি বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও সীমান্ত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিজিবির বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ২ হাজার ৮৬ কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য, স্বর্ণ, বস্ত্র ও প্রসাধনীসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। এসব অভিযান দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং বৈধ ব্যবসার পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখছে। মাদক প্রতিরোধ আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখের বেশি ইয়াবা, ৪০ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস এবং প্রায় ১৬ হাজার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৯ কেজি হেরোইন, ২৮ হাজার বোতল ফেনসিডিল ও অন্যান্য মাদকও জব্দ হয়েছে। এসব মাদক চোরাচালানের সাথে সম্পৃক্ত মোট ১ হাজার ৫৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব মাদকের প্রতিটি চালানের সঙ্গে কোনো তরুণের ভবিষ্যৎ এবং কোনো পরিবারের শান্তি বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা জড়িয়ে থাকে। এই উপলব্ধি নিয়ে আমাদের সদস্যরা দিন রাত দায়িত্ব পালন করছেন। একই সময়ে অবৈধ অস্ত্র বিরোধী অভিযানে ৭৮টি পিস্তল, ৭টি রাইফেল ও ১টি এসএমজিসহ ৭ টি গ্রেনেড, ১২ টি মাইন এবং ৩ হাজার ২১৩ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৯৫৭ জনকে আ

টক করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মানবপাচার প্রতিরোধে নারী ও শিশুসহ ৪২ জনকে পাচারকালে উদ্ধার এবং ২০ জন মানবপাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। প্রতিটি উদ্ধার একজন মানুষকে নিরাপদ জীবনে ফেরার সুযোগ দেয় এবং একটি পরিবারকে স্বজন ফিরে পাওয়ার আশ্বাস দেয়। পাচার প্রতিরোধে সীমান্তের মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও চলছে।

জোরপূর্বক পুশ-ইনের অপচেষ্টা মোকাবিলায় বিজিবি দৃঢ়তা, সংযম ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছে। ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর (২০২৬) পর্যন্ত ২৩টি সীমান্তবর্তী জেলায় ১৮২ টি ঘটনায় ১ হাজার ২৭৫ জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিরবিচ্ছিন্ন নজরদারি, টহল এর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন ও প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ সুরক্ষায় সার, জ্বালানি ও ভোজ্য তেল পাচার প্রতিরোধেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ১৫৮ মেট্রিক টন রাসায়নিক সার জব্দ করা হয়েছে। এ সময়ে প্রায় ১ লাখ ২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল এবং প্রায় ১৫ হাজার লিটার ভোজ্য তেল জব্দ হয়েছে। এসব দায়িত্ব আরও কার্যকরভাবে পালনে আধুনিক নজরদারি সরঞ্জাম, ড্রোন ও রাতের পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি সীমান্তের মানুষের চিকিৎসাসেবা, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মানুষের আস্থা ও সহযোগিতাকে আমরা সীমান্ত সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে বিবেচনা করি।

তিনি বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা, দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং মানুষের জীবন ও মর্যাদা সুরক্ষায় বিজিবি দায়িত্বশীল ও পেশাদার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে। এই প্রচেষ্টায় আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও গঠনমূলক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসুন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শারদীয় দুর্গাপূজাকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করে তুলি। মানুষ নিশ্চিন্তে প্রার্থনা করুক, পরিবার নিয়ে উৎসবে অংশ নিক এবং আনন্দ শেষে নিরাপদে ঘরে ফিরুক এই আমাদের প্রত্যাশা। সনাতন ধর্মাবলম্বী সকল ভাইবোনকে আবারও শারদীয় দুর্গাপূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা। সবার জীবন শান্তি, আনন্দ ও সম্প্রীতিতে পরিপূর্ণ হোক।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ