ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত রূপপুর প্রকল্প Logo আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা Logo সংবিধান সংশোধন কমিটিকে জামায়াত কোনো পরামর্শ দেবে না: গোলাম পরওয়ার Logo ফ্যামেলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী টুকু Logo চীনের লাগাম টানতে শুধু স্বচ্ছতা যথেষ্ট নয় Logo লং মার্চে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হলে সবার আগে বিএনপি করত Logo সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ ও পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ এলজিআরডি মন্ত্রীর Logo প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের প্রাণশক্তি : রাষ্ট্রপতি Logo আয়াসের শুনানিতে আদালতে আইনজীবীদের হাতাহাতি

আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আগের বছরগুলোতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত প্রতি হাজারে পাঁচজনের মৃত্যু হলেও এ বছর তা কমে তিনজনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি জানান, চিকিৎসকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা এবং চার মাস আগে থেকে নেওয়া আগাম প্রস্তুতি ও সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলা একাডেমিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার চার মাস আগেই সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রায় দুই মাস আগেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে, যা নভেম্বর পর্যন্ত চলতে পারে। ২০২৩ সালের ভয়াবহ পরিস্থিতির তুলনায় এবার আক্রান্তের সংখ্যা ও রোগের তীব্রতা কম হলেও পরিস্থিতিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। প্রতিটি মৃত্যুই বেদনাদায়ক। ডেঙ্গুর সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এবার বিশেষ করে ঢাকা ও খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বেশি। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, তাদের দল এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা মশা ও লার্ভা নিধনে দিনরাত কাজ করছেন। তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

নগরবাসীর সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ বা পুলিশ দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ঢাকার বহুতল ভবনগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে অনেক সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ভ্রাম্যমাণ আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া ভবনে প্রবেশ করতে পারেন না। অথচ ভবনের নিচে পার্কিংয়ের পেছনে কিংবা ফেলে রাখা ইলেকট্রনিক পণ্যের কার্টনে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে।

নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজের ঘর, ছাদ, বারান্দার টব ও ভবনের নিচতলা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও সচেতনতার চর্চা পরিবারের সদস্যদের ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

 

Tag :

নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত রূপপুর প্রকল্প

আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

আগের বছরগুলোতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত প্রতি হাজারে পাঁচজনের মৃত্যু হলেও এ বছর তা কমে তিনজনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি জানান, চিকিৎসকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা এবং চার মাস আগে থেকে নেওয়া আগাম প্রস্তুতি ও সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বাংলা একাডেমিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবার ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার চার মাস আগেই সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রায় দুই মাস আগেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে, যা নভেম্বর পর্যন্ত চলতে পারে। ২০২৩ সালের ভয়াবহ পরিস্থিতির তুলনায় এবার আক্রান্তের সংখ্যা ও রোগের তীব্রতা কম হলেও পরিস্থিতিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। প্রতিটি মৃত্যুই বেদনাদায়ক। ডেঙ্গুর সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, এবার বিশেষ করে ঢাকা ও খুলনা বিভাগে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বেশি। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, তাদের দল এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা মশা ও লার্ভা নিধনে দিনরাত কাজ করছেন। তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে।

নগরবাসীর সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ বা পুলিশ দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ঢাকার বহুতল ভবনগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে অনেক সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ভ্রাম্যমাণ আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া ভবনে প্রবেশ করতে পারেন না। অথচ ভবনের নিচে পার্কিংয়ের পেছনে কিংবা ফেলে রাখা ইলেকট্রনিক পণ্যের কার্টনে জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে।

নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজের ঘর, ছাদ, বারান্দার টব ও ভবনের নিচতলা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও সচেতনতার চর্চা পরিবারের সদস্যদের ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ