জীবনের শতবর্ষ পার করা যেখানে পরম বিস্ময়, সেখানে ১১২ বছর অতিক্রম করে ১১৩তম বছরে পা রেখে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কেনেথ লক্সটন উইকস (সংক্ষেপে ‘কেন উইকস’)।
১৯১৩ সালের ৫ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রাফটনের ডোভডেল স্ট্রিটে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন কেন উইকস। শৈশব থেকে শুরু করে জীবনের এই বার্ধক্যে এসেও তিনি ক্ল্যারেন্স ভ্যালি অঞ্চলের ক্রাফটনের সাধারণ গ্রামীণ জীবনযাপনের সঙ্গেই যুক্ত আছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দূরপাল্লার ট্রাক ড্রাইভার, পেট্রোল পাম্প অপারেটর এবং একটি স্থানীয় ম্যাচ ফ্যাক্টরির কর্মী হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।
১৯৪১ সালে জিন ম্যাকফির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া কেন উইকস ১৯৮৬ সালে স্ত্রীকে হারান। এরপরও প্রায় ১০৪ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে একাই জীবনযাপন করেছেন। ১০৪ বছর বয়সের পর ক্রাফটনের একটি কেয়ার হোমে স্থানান্তরিত হলেও ১১০ বছর পার করার পর পর্যন্ত তিনি কোনো লাঠির সাহায্য ছাড়াই চমৎকারভাবে চলাফেরা করতে সক্ষম ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে প্রবীণতম জীবিত পুরুষ হিসেবে রেকর্ড গড়ে বিশ্বমঞ্চেও প্রবীণ পুরুষদের তালিকায় স্থান করে নেওয়া এই সাধারণ মানুষটি শতবর্ষ ধরে ধৈর্য, সুস্থ জীবনধারা ও অদম্য প্রাণশক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন।
বাংলা৭১নিউজ/এসটইচবি























