ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শাস্তি পেল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ Logo মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন Logo শতাধিক গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ডন সিনেমায় ভিলেন হলেও বাস্তবে না’ শুনানি শেষে আইনজীবী Logo আলজেরিয়াকে বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক ও নার্স নেওয়ার আহ্বান Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক–সাংস্কৃতিক বিশ্বাস কাজ করে: সিইসি Logo বিক্ষোভের মুখে ৫০০ স্কুল বন্ধ করল ফ্রান্স Logo জুলাই যোদ্ধাদের সংগঠনের কমিটি ঘোষণা, উপদেষ্টা আসিফ-সারজিস Logo সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিনের জামিন Logo ছাত্রদলের লাগাম টানার দাবি ডাকসু ভিপির

​অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের প্রবীণতম পুরুষ

জীবনের শতবর্ষ পার করা যেখানে পরম বিস্ময়, সেখানে ১১২ বছর অতিক্রম করে ১১৩তম বছরে পা রেখে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কেনেথ লক্সটন উইকস (সংক্ষেপে ‘কেন উইকস’)।

১৯১৩ সালের ৫ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রাফটনের ডোভডেল স্ট্রিটে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন কেন উইকস। শৈশব থেকে শুরু করে জীবনের এই বার্ধক্যে এসেও তিনি ক্ল্যারেন্স ভ্যালি অঞ্চলের ক্রাফটনের সাধারণ গ্রামীণ জীবনযাপনের সঙ্গেই যুক্ত আছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দূরপাল্লার ট্রাক ড্রাইভার, পেট্রোল পাম্প অপারেটর এবং একটি স্থানীয় ম্যাচ ফ্যাক্টরির কর্মী হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।

১৯৪১ সালে জিন ম্যাকফির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া কেন উইকস ১৯৮৬ সালে স্ত্রীকে হারান। এরপরও প্রায় ১০৪ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে একাই জীবনযাপন করেছেন। ১০৪ বছর বয়সের পর ক্রাফটনের একটি কেয়ার হোমে স্থানান্তরিত হলেও ১১০ বছর পার করার পর পর্যন্ত তিনি কোনো লাঠির সাহায্য ছাড়াই চমৎকারভাবে চলাফেরা করতে সক্ষম ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে প্রবীণতম জীবিত পুরুষ হিসেবে রেকর্ড গড়ে বিশ্বমঞ্চেও প্রবীণ পুরুষদের তালিকায় স্থান করে নেওয়া এই সাধারণ মানুষটি শতবর্ষ ধরে ধৈর্য, সুস্থ জীবনধারা ও অদম্য প্রাণশক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসটইচবি

Tag :

শাস্তি পেল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

​অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের প্রবীণতম পুরুষ

আপডেট সময় ০২:৫০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

জীবনের শতবর্ষ পার করা যেখানে পরম বিস্ময়, সেখানে ১১২ বছর অতিক্রম করে ১১৩তম বছরে পা রেখে এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কেনেথ লক্সটন উইকস (সংক্ষেপে ‘কেন উইকস’)।

১৯১৩ সালের ৫ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রাফটনের ডোভডেল স্ট্রিটে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন কেন উইকস। শৈশব থেকে শুরু করে জীবনের এই বার্ধক্যে এসেও তিনি ক্ল্যারেন্স ভ্যালি অঞ্চলের ক্রাফটনের সাধারণ গ্রামীণ জীবনযাপনের সঙ্গেই যুক্ত আছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দূরপাল্লার ট্রাক ড্রাইভার, পেট্রোল পাম্প অপারেটর এবং একটি স্থানীয় ম্যাচ ফ্যাক্টরির কর্মী হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।

১৯৪১ সালে জিন ম্যাকফির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া কেন উইকস ১৯৮৬ সালে স্ত্রীকে হারান। এরপরও প্রায় ১০৪ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে একাই জীবনযাপন করেছেন। ১০৪ বছর বয়সের পর ক্রাফটনের একটি কেয়ার হোমে স্থানান্তরিত হলেও ১১০ বছর পার করার পর পর্যন্ত তিনি কোনো লাঠির সাহায্য ছাড়াই চমৎকারভাবে চলাফেরা করতে সক্ষম ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে প্রবীণতম জীবিত পুরুষ হিসেবে রেকর্ড গড়ে বিশ্বমঞ্চেও প্রবীণ পুরুষদের তালিকায় স্থান করে নেওয়া এই সাধারণ মানুষটি শতবর্ষ ধরে ধৈর্য, সুস্থ জীবনধারা ও অদম্য প্রাণশক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসটইচবি