ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার Logo তাইওয়ানে পৌঁছাল প্রথম দুটি মার্কিন অত্যাধুনিক এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান Logo প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ Logo ভারতীয় নৌসেনাকে ফাঁদে ফেলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ‘হাতিয়ে নিলো’ পাকিস্তানি নারী! Logo সীমান্তে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে ১৯ ককটেল উদ্ধার Logo পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়াতে বিজিএমইএর তাগিদ, ব্যবসায়ী দল পাঠালে বিটুবি বৈঠকের আশ্বাস Logo রাজধানীতে আগামীকাল ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় Logo পুঁজিবাজারের চেহারা এক বছরে বদলে যাবে : অর্থমন্ত্রী Logo গ্যাস সিলিন্ডারের সরকারি দামে অনিয়ম, অভিযানে ৩৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

তাইওয়ানে পৌঁছাল প্রথম দুটি মার্কিন অত্যাধুনিক এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান

চীনের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে নিজেদের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রথম চালানের দুটি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান পেয়েছে তাইওয়ান। ২০১৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে মোট ৬৬টি নতুন যুদ্ধবিমানের মধ্যে এই প্রথম দুটি বিমান তাইওয়ানে এসে পৌঁছাল।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার যুদ্ধবিমান দুটি দেশটির পাহাড়ি পূর্ব উপকূলের তাইতুং-এর চিহ্যাং বিমান ঘাঁটিতে এসে পৌঁছায়। চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকির মুখে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতেই এই যুদ্ধবিমানগুলো আনা হয়েছে।

সফটওয়্যার সমস্যার কারণে কয়েক মাস দেরি হওয়ার পর অবশেষে এগুলো পৌঁছাল। চীনের সামরিক বিমানগুলোর ওপর নজর রাখতে তাইওয়ানের বিমান বাহিনীকে প্রায় প্রতিদিন আকাশে উড়তে হয়।

তাই এই নতুন দুটি বিমান তাদের বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে চীন প্রায়ই নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। এর ফলে তাইওয়ানকে প্রতিনিয়ত চীনের সামরিক হুমকির মুখে থাকতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষক এবং অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।

কিন্তু সেই অস্ত্রগুলো পেতে দেরি হওয়ায়, তাইওয়ান এর আগে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল।

এই সরবরাহটি এমন এক সময়ে সম্পন্ন হলো, যার ঠিক এক সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র এই বিষয়ে পুনর্ব্যক্ত করেছেন, তারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মিত্রদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ এবং এর মধ্যে তাইওয়ানও অন্তর্ভুক্ত।

ফেসবুকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে লিখেছেন, ‘তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এ এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।’ এই সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

তাইপের সংসদে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু জানিয়েছেন, আরো নতুন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান শিগগিরই আসছে, যদিও তিনি এর কোনো বিস্তারিত বিবরণ দেননি।

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে লকহিড মার্টিনের ৮শ কোটি ডলারের এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দেয়। এর ফলে তাইওয়ানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাবে।

গত মে মাসে চীনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে বৈঠক করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন যে, তিনি তাইওয়ানের জন্য একটি নতুন ১৪০০ কোটি ডলারের প্যাকেজ স্থগিত রাখছেন, যদিও তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১১০০ কোটি ডলার মূল্যের একটি প্যাকেজ অনুমোদন করেছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

‘মব’ সৃষ্টি করে রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা, ২ কিশোর গ্রেপ্তার

তাইওয়ানে পৌঁছাল প্রথম দুটি মার্কিন অত্যাধুনিক এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান

আপডেট সময় ০৭:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

চীনের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে নিজেদের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রথম চালানের দুটি এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান পেয়েছে তাইওয়ান। ২০১৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তির অধীনে মোট ৬৬টি নতুন যুদ্ধবিমানের মধ্যে এই প্রথম দুটি বিমান তাইওয়ানে এসে পৌঁছাল।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার যুদ্ধবিমান দুটি দেশটির পাহাড়ি পূর্ব উপকূলের তাইতুং-এর চিহ্যাং বিমান ঘাঁটিতে এসে পৌঁছায়। চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকির মুখে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতেই এই যুদ্ধবিমানগুলো আনা হয়েছে।

সফটওয়্যার সমস্যার কারণে কয়েক মাস দেরি হওয়ার পর অবশেষে এগুলো পৌঁছাল। চীনের সামরিক বিমানগুলোর ওপর নজর রাখতে তাইওয়ানের বিমান বাহিনীকে প্রায় প্রতিদিন আকাশে উড়তে হয়।

তাই এই নতুন দুটি বিমান তাদের বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।

গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে চীন প্রায়ই নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। এর ফলে তাইওয়ানকে প্রতিনিয়ত চীনের সামরিক হুমকির মুখে থাকতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষক এবং অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।

কিন্তু সেই অস্ত্রগুলো পেতে দেরি হওয়ায়, তাইওয়ান এর আগে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল।

এই সরবরাহটি এমন এক সময়ে সম্পন্ন হলো, যার ঠিক এক সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন মুখপাত্র এই বিষয়ে পুনর্ব্যক্ত করেছেন, তারা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মিত্রদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ এবং এর মধ্যে তাইওয়ানও অন্তর্ভুক্ত।

ফেসবুকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে লিখেছেন, ‘তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করতে এ এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।’ এই সহযোগিতার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

তাইপের সংসদে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু জানিয়েছেন, আরো নতুন এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান শিগগিরই আসছে, যদিও তিনি এর কোনো বিস্তারিত বিবরণ দেননি।

২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের কাছে লকহিড মার্টিনের ৮শ কোটি ডলারের এফ-১৬ভি যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দেয়। এর ফলে তাইওয়ানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাবে।

গত মে মাসে চীনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গে বৈঠক করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন যে, তিনি তাইওয়ানের জন্য একটি নতুন ১৪০০ কোটি ডলারের প্যাকেজ স্থগিত রাখছেন, যদিও তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১১০০ কোটি ডলার মূল্যের একটি প্যাকেজ অনুমোদন করেছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ