ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বেরোবির সাবেক প্রক্টরসহ ১১ জন স্থায়ী বহিষ্কার

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ নিহতের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টরসহ তিন শিক্ষক এবং আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর রায়ে দণ্ডিত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও বিধি পর্যালোচনা করে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৩তম সিন্ডিকেট সভায় ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন– গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে মশিউর রহমান ও আসাদুজ্জামান মণ্ডলকে ১০ বছর এবং শরিফুল ইসলামকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন-তৎকালীন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু, সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান ওরফে তুফান, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তাকর্মী নূর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন ও প্রক্টর অফিসের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ ওরফে আপেল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, রাফিউল হাসান রাসেল, মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু পাঁচ বছর করে এবং হাফিজুর রহমান তুফান, মনিরুজ্জামান পলাশ, মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নূর আলম মিয়া ও এ কে এম আমির হোসেন তিন বছর করে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজের ক্ষেত্রে তাঁর হাজতবাসের সময়কেই সাজার পূর্ণ মেয়াদ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গত ৯ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় মোট ৩০ আসামির সবাই বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পেয়েছেন।পরে ১৪ জুন ২০২৬ ট্রাইব্যুনালের ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিতে বলা হয়েছে, আবু সাঈদ নিহত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।তালিকাভুক্ত কয়েকজনকে ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০৮তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অন্যদের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সময়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পর সরকারি চাকরি আইন,-২০১৮-এর ৪২ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্টদের বেতন বন্ধ করা হয়। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিতে আরও বলা হয়েছে, বেরোবির ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ প্রযোজ্য কি না, সে বিষয়ে সিন্ডিকেটের ৫৫তম সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ২০০৯ সালের আইনে এ বিষয়ে স্পষ্ট বিধান না থাকায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ অনুসরণের সিদ্ধান্ত হয়।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেরোবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর ফটকের সামনে পুলিশের গুলির মুখে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরে আবু সাঈদের মৃত্যু জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ওঠে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর এবার সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে তিন শিক্ষকসহ ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের মাধ্যমে সেই প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায়ও বড় সিদ্ধান্ত এলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম।সেখানে আলোচনার পর বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ‘আবু সাঈদ নিহতের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বেদনাদায়ক একটি অধ্যায়।ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাঁদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থায়ী বহিষ্কারের আদেশ কার্যকর করা হবে।’

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

ম্যানসিটি ম্যাচের আগে বড় জয় পিএসজির, শীর্ষে মোনাকো

বেরোবির সাবেক প্রক্টরসহ ১১ জন স্থায়ী বহিষ্কার

আপডেট সময় ০৫:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদ নিহতের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টরসহ তিন শিক্ষক এবং আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর রায়ে দণ্ডিত হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও বিধি পর্যালোচনা করে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২৩তম সিন্ডিকেট সভায় ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত তিন শিক্ষক হলেন– গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে মশিউর রহমান ও আসাদুজ্জামান মণ্ডলকে ১০ বছর এবং শরিফুল ইসলামকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন-তৎকালীন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু, সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান ওরফে তুফান, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তাকর্মী নূর আলম মিয়া, এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন ও প্রক্টর অফিসের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মো. আনোয়ার পারভেজ ওরফে আপেল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, রাফিউল হাসান রাসেল, মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু পাঁচ বছর করে এবং হাফিজুর রহমান তুফান, মনিরুজ্জামান পলাশ, মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নূর আলম মিয়া ও এ কে এম আমির হোসেন তিন বছর করে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজের ক্ষেত্রে তাঁর হাজতবাসের সময়কেই সাজার পূর্ণ মেয়াদ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গত ৯ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় মোট ৩০ আসামির সবাই বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পেয়েছেন।পরে ১৪ জুন ২০২৬ ট্রাইব্যুনালের ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিতে বলা হয়েছে, আবু সাঈদ নিহত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।তালিকাভুক্ত কয়েকজনকে ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১০৮তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের পর সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অন্যদের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সময়ে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পর সরকারি চাকরি আইন,-২০১৮-এর ৪২ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্টদের বেতন বন্ধ করা হয়। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিতে আরও বলা হয়েছে, বেরোবির ক্ষেত্রে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ প্রযোজ্য কি না, সে বিষয়ে সিন্ডিকেটের ৫৫তম সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ২০০৯ সালের আইনে এ বিষয়ে স্পষ্ট বিধান না থাকায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ অনুসরণের সিদ্ধান্ত হয়।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত হন বেরোবির ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর ফটকের সামনে পুলিশের গুলির মুখে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরে আবু সাঈদের মৃত্যু জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠে।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও ওঠে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর এবার সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে তিন শিক্ষকসহ ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের মাধ্যমে সেই প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায়ও বড় সিদ্ধান্ত এলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম।সেখানে আলোচনার পর বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ‘আবু সাঈদ নিহতের ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বেদনাদায়ক একটি অধ্যায়।ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে যাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাঁদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্থায়ী বহিষ্কারের আদেশ কার্যকর করা হবে।’

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ