ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ‘রোনালদোর মতো বয়সে ফ্রান্সে খেলা সম্ভব নয়’ Logo হাদি হত্যার আসামি ফয়সালের অবৈধ অর্থের সন্ধান পেয়েছে সিআইডি Logo টাঙ্গাইলে সেতুতে রডের বদলে বাঁশ, কার্যসহকারী হাসমত বরখাস্ত Logo লক্ষ্মীপুরে মাদরাসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ Logo অপ্রচলিত বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড Logo জাতিসংঘের নারী নেতৃত্ব প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দিয়েছেন জুবাইদা রহমান Logo মসজিদে হামলা ঘিরে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কে নতুন সংকট Logo চীনে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বর্তমান সরকার কাজে লাগাচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী Logo বগুড়ায় মাইক্রোবাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ Logo কালিয়াকৈরে অগ্নিকাণ্ডে দুই কলোনির ২৩ কক্ষ ও ৫ দোকান ভস্মীভূত

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে ট্রাম্পের বিরল অভ্যর্থনা

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের প্রথা ভেঙে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক সৌজন্য দেখালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটন ডিসিতে আসা চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে স্বাগত জানাতে সোজা সামরিক বিমানঘাঁটিতে পৌঁছে যান তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চীনা প্রেসিডেন্টের বিমান মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ‘জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ’-এ অবতরণ করে। বিমান থেকে শি নামার পরপরই বিমানের সিঁড়ির গোড়ায় দাঁড়িয়ে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ট্রাম্প। মেরিল্যান্ডে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিটি হোয়াইট হাউস থেকে প্রায় ১৩ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।

সাধারণত ওয়াশিংটনে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান এলে তাদের হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানানোই মার্কিন প্রেসিডেন্টদের চিরাচরিত নিয়ম।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ের প্রবেশদ্বারে এবং চলতি বছরের এপ্রিলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসকে সাউথ পোর্টিকোতে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু বিমানবন্দরে গিয়ে বিদেশি কোনো নেতাকে স্বাগত জানানোর ঘটনা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক বিরল দৃশ্য।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ১৯৬২ সালে ওয়াশিংটনের বিমানবন্দরে গিয়ে আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স উফুয়ে-বোয়িনির মতো কয়েকজন নেতাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে পোপদের সফর ছাড়া এ রীতি একপ্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল।

উদাহরণস্বরূপ, ২০০৮ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টকে এবং ২০১৫ সালে বারাক ওবামা পোপ ফ্রান্সিসকে এই জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজেই স্বাগত জানিয়েছিলেন।

ট্রাম্পের এই বিশেষ পদক্ষেপের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি অ্যাক্সিওসকে জানান, ‘চলতি বছরের গ্রীষ্মে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং চীনে এক ঐতিহাসিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আন্তরিক আতিথেয়তা দিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই চীনা প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে সেই আতিথেয়তারই প্রতিদান দিচ্ছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান জনগণের সমৃদ্ধি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা হয়, এমন যেকোনো ভালো চুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট যেকোনো বিশ্বনেতার সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে প্রস্তুত।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

‘রোনালদোর মতো বয়সে ফ্রান্সে খেলা সম্ভব নয়’

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে ট্রাম্পের বিরল অভ্যর্থনা

আপডেট সময় ১১:৫৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্টদের প্রথা ভেঙে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক সৌজন্য দেখালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটন ডিসিতে আসা চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংকে স্বাগত জানাতে সোজা সামরিক বিমানঘাঁটিতে পৌঁছে যান তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চীনা প্রেসিডেন্টের বিমান মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ‘জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ’-এ অবতরণ করে। বিমান থেকে শি নামার পরপরই বিমানের সিঁড়ির গোড়ায় দাঁড়িয়ে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ট্রাম্প। মেরিল্যান্ডে অবস্থিত এই বিমানঘাঁটিটি হোয়াইট হাউস থেকে প্রায় ১৩ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।

সাধারণত ওয়াশিংটনে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান এলে তাদের হোয়াইট হাউসে স্বাগত জানানোই মার্কিন প্রেসিডেন্টদের চিরাচরিত নিয়ম।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ের প্রবেশদ্বারে এবং চলতি বছরের এপ্রিলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসকে সাউথ পোর্টিকোতে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু বিমানবন্দরে গিয়ে বিদেশি কোনো নেতাকে স্বাগত জানানোর ঘটনা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক বিরল দৃশ্য।

ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ১৯৬২ সালে ওয়াশিংটনের বিমানবন্দরে গিয়ে আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স উফুয়ে-বোয়িনির মতো কয়েকজন নেতাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে পোপদের সফর ছাড়া এ রীতি একপ্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল।

উদাহরণস্বরূপ, ২০০৮ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টকে এবং ২০১৫ সালে বারাক ওবামা পোপ ফ্রান্সিসকে এই জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজেই স্বাগত জানিয়েছিলেন।

ট্রাম্পের এই বিশেষ পদক্ষেপের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি অ্যাক্সিওসকে জানান, ‘চলতি বছরের গ্রীষ্মে প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং চীনে এক ঐতিহাসিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আন্তরিক আতিথেয়তা দিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এই চীনা প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে সেই আতিথেয়তারই প্রতিদান দিচ্ছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান জনগণের সমৃদ্ধি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা হয়, এমন যেকোনো ভালো চুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট যেকোনো বিশ্বনেতার সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে প্রস্তুত।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ