ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকরিচ্যুত সাব-ইন্সপেক্টরদের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

বাংলাদেশ পুলিশের ৪০তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ব্যাচের প্রশিক্ষণ থেকে চাকরিচ্যুত ৩২১ জন সাব-ইন্সপেক্টর পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

সোমবার (১৯ মে) সকাল ৯টায় পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

চাকরিচ্যুত সাব-ইন্সপেক্টররা অভিযোগ করেন, চলমান প্রশিক্ষণ থেকে তাদের অন্যায়ভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী মোসাম্মৎ আতিয়া বলেন, আমাদের দাবি নিয়ে আমরা গত জানুয়ারি মাস থেকে আন্দোলনে নেমেছিলাম। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে, আমাদের দাবিটা তারা বিবেচনা করবেন। এখন দুই-তিন মাস পার হলেও কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সৌরভ কর্মকার বলেন, আমরা এখন আর্থিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত। পারিবারিকভাবে আমরা চাপে আছি। আমাদের বেশিরভাগই নিম্ন এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। চাকরি না থাকায় অর্থনৈতিকভাবে আরও ভেঙে পড়ছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা মোট ৩২১ জন এ বঞ্চনার শিকার। একই প্রশিক্ষণ নিয়েও আমাদের বাদ দেওয়া হলো কেন, তা জানি না। আমার ব্যাচের অন্যান্য সদস্যরা থানায় দায়িত্ব পালন করছে, আর আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে। আমাদের পুনর্বহালের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাকরিচ্যুত সাব-ইন্সপেক্টরদের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০১:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

বাংলাদেশ পুলিশের ৪০তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ব্যাচের প্রশিক্ষণ থেকে চাকরিচ্যুত ৩২১ জন সাব-ইন্সপেক্টর পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

সোমবার (১৯ মে) সকাল ৯টায় পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

চাকরিচ্যুত সাব-ইন্সপেক্টররা অভিযোগ করেন, চলমান প্রশিক্ষণ থেকে তাদের অন্যায়ভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী মোসাম্মৎ আতিয়া বলেন, আমাদের দাবি নিয়ে আমরা গত জানুয়ারি মাস থেকে আন্দোলনে নেমেছিলাম। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে, আমাদের দাবিটা তারা বিবেচনা করবেন। এখন দুই-তিন মাস পার হলেও কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাচ্ছি না।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সৌরভ কর্মকার বলেন, আমরা এখন আর্থিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত। পারিবারিকভাবে আমরা চাপে আছি। আমাদের বেশিরভাগই নিম্ন এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। চাকরি না থাকায় অর্থনৈতিকভাবে আরও ভেঙে পড়ছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা মোট ৩২১ জন এ বঞ্চনার শিকার। একই প্রশিক্ষণ নিয়েও আমাদের বাদ দেওয়া হলো কেন, তা জানি না। আমার ব্যাচের অন্যান্য সদস্যরা থানায় দায়িত্ব পালন করছে, আর আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে। আমাদের পুনর্বহালের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই।

বাংলা৭১নিউজ/এবি