ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনীতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পোস্টার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন, ব্যানার ব্যবহারে নানা ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
বিধিনিষেধ অনুসারে, অপচনশীল দ্রব্য যেমন : রেক্সিন, পলিথিন, প্লাস্টিক তথা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন কোনো উপাদানে তৈরি প্রচারপত্র, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন, ব্যানার ও প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না।
নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত কোনো দালান, দেওয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনা এবং বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা, অটোরিকশা, লেগুনা, ট্যাক্সি, বেবিটেক্সি বা অন্য কোনো যানবাহনে কোনো প্রকার লিফলেট বা হ্যান্ডবিল, ফেস্টুন সাঁটানো যাবে না।
কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার, প্রতীক ও বিলবোর্ডের ওপর অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার, প্রতীক ও বিলবোর্ড টাঙানো যাবে না এবং ফেস্টুন, ব্যানার, প্রতীক ও বিলবোর্ডের কোনো প্রকার ক্ষতি, বিকৃতি বা বিনষ্ট করা যাবে না।
ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন সাদা-কালো রঙের হবে।
খাড়াভাবে/আড়াআড়িভাবে ব্যানার আয়তনে অনধিক ১০ ফুট × ৪ ফুট; লিফলেট বা হ্যান্ডবিল আয়তনে অনধিক A4 সাইজের (৮.২৭ ইঞ্চি × ১১.৬৯ ইঞ্চি) এবং ফেস্টুন আয়তনে অনধিক ১৮ ইঞ্চি × ২৪ ইঞ্চি হবে। একই সঙ্গে ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে প্রতীক ও নিজের ছবি ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি বা প্রতীক ছাপাতে পারবেন না।
কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীকের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ বা উচ্চতা ৬ ফুটের বেশি হবে না। এছাড়া মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও মুদ্রণের তারিখবিহীন কোনো ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবে না।
একই সঙ্গে ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুনে পলিথিনের আবরণ এবং প্লাস্টিক (পিভিসি) ব্যানার ব্যবহার করা যাবে না।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ






















