ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোদি-পুতিন মেগাবৈঠক আজ, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি চুক্তিতে বিশেষ নজর

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছেন। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পৌঁছেছে পুতিন।

সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।

এতে ভারতের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য রাশিয়ার কাছে বকেয়া থাকা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রের শেষ লটের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিতকরণ। পঞ্চম প্রজন্মের আধুনিক সু-৫৭ যুদ্ধবিমান ভারতের বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাব্য চুক্তি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে বিশেষ আলোচনা।

ভারতে রাশিয়ান সমরাস্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ যৌথভাবে উৎপাদন এবং সুখোই ও ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকীকরণ।

এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও ভারতে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখার বিষয়েও কথা হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীতে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা। মার্কিন ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব এড়াতে রুপি-রুবল বা বিকল্প আন্তঃসীমান্ত লেনদেনব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়ানো।

চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিরসনে পারস্পরিক কূটনৈতিক সহযোগিতা ও সমাধানের উপায় নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

২৩তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের এই বৈঠকটি মূলত বৈশ্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে উভয় দেশের দীর্ঘস্থায়ী এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

মোদি-পুতিন মেগাবৈঠক আজ, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি চুক্তিতে বিশেষ নজর

আপডেট সময় ১১:১৪:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছেন। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পৌঁছেছে পুতিন।

সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।

এতে ভারতের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য রাশিয়ার কাছে বকেয়া থাকা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রের শেষ লটের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিতকরণ। পঞ্চম প্রজন্মের আধুনিক সু-৫৭ যুদ্ধবিমান ভারতের বিমানবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাব্য চুক্তি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে বিশেষ আলোচনা।

ভারতে রাশিয়ান সমরাস্ত্রের খুচরা যন্ত্রাংশ যৌথভাবে উৎপাদন এবং সুখোই ও ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকীকরণ।

এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও ভারতে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখার বিষয়েও কথা হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীতে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক সহযোগিতা কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা। মার্কিন ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব এড়াতে রুপি-রুবল বা বিকল্প আন্তঃসীমান্ত লেনদেনব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়ানো।

চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিরসনে পারস্পরিক কূটনৈতিক সহযোগিতা ও সমাধানের উপায় নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

২৩তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের এই বৈঠকটি মূলত বৈশ্বিক ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে উভয় দেশের দীর্ঘস্থায়ী এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ