মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ধর্ষণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রায় পাবলিক পরিবহনে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে:সড়কপরিবহন মন্ত্রী বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের স্রোত পাকিস্তানের হামলায় কাবুলে ৪০০ নিহত, দাবি তালেবানের ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেলের ৩ আরোহী নিহত, সবাই একই পরিবারের জনগণের কল্যাণে কাজের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করবে বিরোধীদল: জামায়াত আমির ইমাম নিয়োগ বিধিমালা ও বেতনকাঠামো নির্ধারণ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় : প্রধানমন্ত্রী

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

মঙ্গলবার সচিবালয়ে ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকদের দোরগোড়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও প্রণোদনা সরাসরি পৌঁছে কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগ নেন তিনি।

সভায় কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষিখাতে আধুনিকায়নের কৃষক কার্ড চালুর অগ্রগতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো—প্রকৃত কৃষকরা যেন সার, বীজ, কীটনাশক এবং সরকারি আর্থিক সহায়তা কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগীর হয়রানি ছাড়াই সরাসরি পান, তা নিশ্চিত করা।’

দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্ভুল ডেটাবেজ তৈরির কাজ সম্পন্ন করে কৃষকদের হাতে এই স্মার্ট কার্ড তুলে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

সংশ্লিষ্টরা বলছে, ডিজিটাল ‘ফার্মার্স কার্ড বা কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে কৃষকরা সহজেই কৃষি ঋণ, সেচ সুবিধা, ফসল বিমা এবং সরকারি ভর্তুকি গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়াও এই কার্ডের মাধ্যমে অনেক সহজ ও স্বচ্ছ হবে।

পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়, ইতোমধ্যে সারাদেশের প্রকৃত কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের কয়েকটি জেলায় খুব শিগগিরই এর বিতরণ শুরু হবে এবং আগামী মৌসুমের আগেই দেশব্যাপী এই কার্ড কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষিখাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এই ‘কৃষক কার্ড’ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং কৃষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com