বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চার মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে সরকার বাংলাদেশে সুইডিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ৯ বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা, প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী

আজ আকাশে দেখা যাবে ‘স্নো মুন’

বাংলা৭১নিউজ,ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

মহাজাগতিক সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে আজ রাতে আকাশের বুকে উদিত হচ্ছে ফেব্রুয়ারির পূর্ণিমা চাঁদ, যা বিশ্বজুড়ে ‘স্নো মুন’ নামে পরিচিত।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় আগামী সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে চাঁদটি তার পূর্ণ দশা বা পূর্ণিমায় পৌঁছাবে। তবে রোববার সন্ধ্যার পর থেকেই আকাশে এই পূর্ণিমা চাঁদের পূর্ণ রূপ উপভোগ করা যাবে।

ফেব্রুয়ারির এই বিশেষ পূর্ণিমাকে কেন ‘স্নো মুন’ বলা হয়, তা নিয়ে অনেকের মনেই কৌতূহল রয়েছে। এই নামকরণের উৎস মূলত উত্তর আমেরিকার আদিবাসী সংস্কৃতিতে। বছরের এই সময়ে সেখানে সবচেয়ে বেশি তুষারপাত বা স্নোফল হতো বলে আদিম মানুষরা এই পূর্ণিমাকে তুষারের সঙ্গে মিলিয়ে ডাকত। যদিও বাংলাদেশে তুষারপাত হয় না, তবে মাঘের শেষ দিকের এই হিমেল হাওয়ায় চাঁদের এই স্নিগ্ধ রূপ এদেশের প্রকৃতিতেও এক ভিন্ন আমেজ তৈরি করে।

আদিবাসীদের ক্যালেন্ডারে এটি ‘ক্ষুধার্ত চাঁদ’ বা ‘ঝড়ের চাঁদ’ নামেও পরিচিত ছিল। কারণ এই সময়ে তুষারপাতের কারণে শিকার বা খাবার সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ত।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, চাঁদ যখন দিগন্তের ঠিক ওপরে থাকে, তখন ‘মুন ইলিউশন’ বা দৃষ্টিবিভ্রমের কারণে সেটিকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বড় আর উজ্জ্বল মনে হয়। আজ রাতে বাংলাদেশের আকাশ অধিকাংশ স্থানে পরিষ্কার থাকার সম্ভাবনা থাকায় কোনো বাধা ছাড়াই ‘স্নো মুন’ উপভোগ করা যাবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে যেখানে কৃত্রিম আলোর আধিপত্য কম, সেখানে চাঁদের এই ধবধবে সাদা আলো এক অপার্থিব পরিবেশ তৈরি করবে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আজকের এই ‘স্নো মুন’ দেখার জন্য কোনো টেলিস্কোপ বা বিশেষ সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই। খালি চোখেই চাঁদের গায়ের কলঙ্ক বা আগ্নেয়গিরির গর্তগুলো হালকাভাবে দেখা যাবে। তবে কেউ যদি একটি সাধারণ বাইনোকুলার ব্যবহার করেন, তবে চাঁদের ভূ-প্রকৃতির সৌন্দর্য আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়বে।

বাংলা৭১নিউজ/এএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com