শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১০ রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন করেছি : জামায়াত আমির ফ্যাসিবাদী শাসনে ইসির প্রতি জনআস্থা শূন্যের কোটায় নেমেছিল : রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসররা যেন সংসদকে কলুষিত করতে না পারে : নাহিদ সংসদের দর্শকসারিতে ড. ইউনূস-জুবাইদা-জাইমা খালেদা জিয়া মানেই আপসহীন গণতন্ত্র আর সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী সংসদ হবে দেশের সব সমস্যা সমাধানের মূল কেন্দ্রবিন্দু : প্রধানমন্ত্রী সংসদ যেন চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয়: বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী হত্যায় সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার নামের এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এই হত্যায় পুলিশের সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন একজন রেস্তোরাঁ কর্মী। সে ফাতেমার বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করত। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক। সন্দেহভাজন ওই রেস্তোরাঁ কর্মীকে খুঁজছে পুলিশ।

এর আগে শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। ধর্ষণের আলামত রয়েছে কি–না তা পরীক্ষা করার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েটির বাবার রেস্তোরাঁয় কাজ করত, এমন একজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখছি। ঘটনার পর থেকে সে গা ঢাকা দিয়েছে।’

খিলগাঁও থানা পুলিশ জানায়, ফাতেমা আক্তার বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত সে। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন। দুই দিন আগে তার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় ফাতেমা ও তার বোন ছিল। বিকেলে ফাতেমার বোন বাইরে যান। ফিরে এসে বোনের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ক্রাইম সিন ইউনিট সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের প্রাথমিক ধারণা, ফাঁকা বাসায় লুটপাট করার টার্গেট ছিল কারও। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ওই বাসায় সন্দেহভাজন রেস্তোরাঁর কর্মীকে ঢুকতে দেখা গেছে। পুলিশের ভাষ্য, বাসায় লুটপাট করার চেষ্টা কালে হয়তো মেয়েটি বাধা দেয়। একপর্যায়ে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

নিহত ফাতেমার ভাই শাকিল মিয়া বলেন, ‘আমাদের বাসা থেকে ৫ ভরির মতো স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ ৫ লাখ টাকা লুট হয়েছে। লুটপাটের উদ্দেশ্যে আমাদের রেস্তোরাঁর কর্মী আমার বোনকে খুন করতে পারে। ঘটনার পর থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে ঘিরে আমাদের মূল সন্দেহ।’

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com