
বিএনপি নেতা তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার টঙ্গী ও গাজীপুর এলাকার তৈরি পোশাক কারখানায় ছুটির ঘোষণা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এ খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজিএমইএ।
মঙ্গলবার সদস্য কারখানাগুলোতে পাঠানো বিজিএমইএর চিঠিতে বলা হয়েছে, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এবং আশপাশের এলাকায় বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি বাড়বে। তাতে যানজট তৈরি হতে পারে।
সেই যানজটে পোশাক খাতের মালামাল পরিবহন ও কারখানা পরিচালনায় বিঘ্ন হতে পারে, সে কারণে টঙ্গী ও গাজীপুর এলাকার কারখানাগুলো সেদিন বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দেড় যুগের নির্বাসন ভেঙে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত-চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমন ঘিরে সমাবেশসহ নানা কর্মসূচির হাতে নিয়েছে বিএনপি। বিমানবন্দরে সেদিন বিপুল লোক সমাগম ঘটানোর উদ্যোগ নিয়েছে দলটি।
বিজিএমই পরিচালক ও সুরমা গার্মেন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল সামাদ গণমাধ্যমকে বলেন, “অনেক বছর পর তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। লোক সমাগম বেশি হবে, তাই কারখানার কর্মী ও মালামাল পরিবহনে দুর্ভোগ পোহানোর মত বিষয়গুলো এড়াতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারখানা সিদ্ধান্ত নেবে বন্ধ করবে কি না, বন্ধ রাখলে পরে বা আগে যে কোনো একদিন সমন্বয় করার বিয়টিও বলা হয়েছে।’’
তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টি উল্লেখ করে সদস্য কারখানাগুলোকে পাঠানো চিঠিতে বিজিএমইএ বলেছে, “ধারণা করা হচ্ছে, দীর্ঘ ১৭ বছর পর উনার (তারেক রহমান) স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে বিমান বন্দরের আশ-পাশের এলাকাসমূহে প্রচুর লোক সমাগম হবে।
“উক্ত লোক সমাগমের কথা বিবেচনা করে উত্তরা (পূর্ব-পশ্চিম), উত্তরখান, দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, আব্দুল্লাপুর, তুরাগ, টঙ্গী, পুবাইল, রূপগঞ্জ, কাঞ্চন ব্রিজ ও আশুলিয়া এলাকার (পূর্বাংশ) কারখানাসমূহের বাস যোগে শ্রমিক যাতায়াত এবং জরুরি আমদানি-রপ্তানি মালামাল পরিবহনে বিঘ্ন ঘটতে পারে।”
কারখানা বন্ধ রাখলে ২৫ ডিসেম্বরের আগে বা পরে কর্মীদের জেনারেল ডিউটি করে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেখানে।
একইসঙ্গে এসব এলাকার সার্বিক অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত, কাভার্ড ভ্যানসহ মালামাল পরিবহনে অন্য রুট ব্যবহার করার অনুরোধ জানিয়েছে বিজিএমইএ।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস