ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo এআইয়ের নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা চান ৪০০ বিজ্ঞানী Logo সিন্ডিকেট করে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, আর তা নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম Logo ঢাকা থেকে দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত: ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলাচল বন্ধ ঘোষণা Logo আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo যে কোম্পানিতে চাকরি, সেই কোম্পানিরই সাড়ে ১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo ইয়েমেনে রাজধানীতে ব্যাপক হামলার প্রস্তুতি, বেসামরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ সৌদি জোটের Logo প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী Logo চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশি পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি Logo ড. ইউনূসের সঙ্গে সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় শেখ হাসিনারই Logo স্বস্তি দিতে গিয়েই অস্বস্তিতে সৌদি আরব?

পরিত্যক্ত বাড়িতে ধর্ষণের পর নারীকে হত্যা, ভাগনি জামাই গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খালা শাশুড়ির (৫৪) সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন ভাগনি জামাই মো. সেলিম (৪৭)। ঈদুল আজহার সময় বাড়িতে এসে মোবাইল ফোনেই সেলিম তাকে ডেকে নেন। ঘর থেকে বের করে পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার হাতের স্বর্ণের আংটি, কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে পালিয়ে যান সেলিম।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। 

আসামি সেলিমকে সোমবার (২৩ জুন) রাতে রাজধানীর আশুলিয়া থানার পলাশবাড়ী বটতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার ৮ দিন পর পুলিশ এ হত্যার আসামিকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে রহস্য উদঘাটন করে। সেলিমের কাছ থেকে ওই নারীর স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সেলিম কমলনগর উপজেরার চরকালকিনি ইউনিয়নের চরসামছুদ্দিন এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে। তিনি রাজধানীর আশুলিয়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ শরবত বিক্রেতা ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, সেলিম ওই নারীর ভাগনি জামাই। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলে তিনি খালা শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একইভাবে ১৫ জুন রাতে মোবাইল ফোনে কথা বলে সেলিম তাকে ঘর থেকে বের করে নেন। পরে পার্শ্ববর্তী নুরু মিয়া সর্দারের পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যান।

সেখানে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে ওই নারীকে হত্যা করা হয়। পরে তার হাতে থাকা তিনটি স্বর্ণের আংটি, কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে সেলিম পালিয়ে যান। পরদিন দুপুরে স্থানীয় শিশুরা ওই বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ চরকালকিনি ইউনিয়নের মতিরহাট এলাকার ওই পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।  

এদিকে ঘটনার পর থেকে সেলিম পলাতক ছিলেন। পরে মৃত নারীর মোবাইল ফোনের কল লিস্ট চেক করে পুলিশ আসামি সেলিমকে শনাক্ত করে পুলিশ। তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে আশুলিয়া থানার বটতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। স্বর্ণালংকারগুলো বটতলী এলাকার একটি স্বর্ণের দোকানে বন্ধক রাখা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে ওই জুয়েলার্স দোকান থেকে স্বর্ণালংকার জব্দ করে নিয়ে আসা হয়েছে।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে। অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএকে

Tag :

এআইয়ের নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা চান ৪০০ বিজ্ঞানী

পরিত্যক্ত বাড়িতে ধর্ষণের পর নারীকে হত্যা, ভাগনি জামাই গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খালা শাশুড়ির (৫৪) সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন ভাগনি জামাই মো. সেলিম (৪৭)। ঈদুল আজহার সময় বাড়িতে এসে মোবাইল ফোনেই সেলিম তাকে ডেকে নেন। ঘর থেকে বের করে পার্শ্ববর্তী একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার হাতের স্বর্ণের আংটি, কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে পালিয়ে যান সেলিম।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। 

আসামি সেলিমকে সোমবার (২৩ জুন) রাতে রাজধানীর আশুলিয়া থানার পলাশবাড়ী বটতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার ৮ দিন পর পুলিশ এ হত্যার আসামিকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে রহস্য উদঘাটন করে। সেলিমের কাছ থেকে ওই নারীর স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার সেলিম কমলনগর উপজেরার চরকালকিনি ইউনিয়নের চরসামছুদ্দিন এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে। তিনি রাজধানীর আশুলিয়া এলাকায় ভ্রাম্যমাণ শরবত বিক্রেতা ছিলেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, সেলিম ওই নারীর ভাগনি জামাই। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলে তিনি খালা শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একইভাবে ১৫ জুন রাতে মোবাইল ফোনে কথা বলে সেলিম তাকে ঘর থেকে বের করে নেন। পরে পার্শ্ববর্তী নুরু মিয়া সর্দারের পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যান।

সেখানে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে ওই নারীকে হত্যা করা হয়। পরে তার হাতে থাকা তিনটি স্বর্ণের আংটি, কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে সেলিম পালিয়ে যান। পরদিন দুপুরে স্থানীয় শিশুরা ওই বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ চরকালকিনি ইউনিয়নের মতিরহাট এলাকার ওই পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।  

এদিকে ঘটনার পর থেকে সেলিম পলাতক ছিলেন। পরে মৃত নারীর মোবাইল ফোনের কল লিস্ট চেক করে পুলিশ আসামি সেলিমকে শনাক্ত করে পুলিশ। তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে আশুলিয়া থানার বটতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। স্বর্ণালংকারগুলো বটতলী এলাকার একটি স্বর্ণের দোকানে বন্ধক রাখা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে ওই জুয়েলার্স দোকান থেকে স্বর্ণালংকার জব্দ করে নিয়ে আসা হয়েছে।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে। অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএকে