ঢাকা ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বাংলা উইকিপিডিয়ায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে ২ মন্ত্রী, আছেন রাষ্ট্রপতিও

সদ্য শেষ হওয়া আগষ্ট মাসে বাংলা উইকিপিডিয়ায় অনলাইন পাঠকদের আগ্রহের শীর্ষে থাকা ১০টি পাতার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে ক্ষুদিরাম বসু, স্বাধীনতা দিবস (ভারত), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাংলাদেশ, রাখীবন্ধন, ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’, মুহাম্মাদ, মিয়া খলিফা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান।

প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ৩০ হাজার ৩০৮ বার প্রদর্শিত হয়ে তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে ক্ষুদিরাম বসু-সংক্রান্ত পাতাটি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘স্বাধীনতা দিবস (ভারত)’। সংগৃহীত সময়ে পাতাটি ২৭ হাজার ৪০৮ বার দেখা হয়েছে। এ ছাড়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-সংক্রান্ত পাতা ২০ হাজার ৮৯৪ বার প্রদর্শনের মাধ্যমে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ১৫ হাজার ৯৫১ বার প্রদর্শিত হয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ‘বাংলাদেশ’ পাতাটি।

পঞ্চম স্থানে থাকা ‘রাখীবন্ধন’ পাতাটি দেখা হয়েছে ১৫ হাজার ৮২৬ বার। ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ ১৫ হাজার ৬১৬ বার প্রদর্শিত হয়ে ষষ্ঠ, ‘মুহাম্মাদ’ ১৫ হাজার ২২৬ বার প্রদর্শিত হয়ে সপ্তম এবং ‘মিয়া খলিফা’ ১৪ হাজার ৪৯৭ বার প্রদর্শিত হয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে।

তালিকায় নবম স্থানে থাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-সংক্রান্ত পাতা ১৪ হাজার ৯১ বার এবং দশম স্থানে থাকা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ পাতাটি ১৩ হাজার ১৭০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

তালিকায় ১১তম স্থানে রয়েছে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। পাতাটি ১৩ হাজার ১৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে। ১২ হাজার ৮০৬ বার প্রদর্শিত হয়ে ‘বন্দে মাতরম্’ রয়েছে ১২তম স্থানে। এ ছাড়া কাজী নজরুল ইসলাম ১২ হাজার ৪২৯ বার প্রদর্শিত হয়ে ১৩তম, ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ ১২ হাজার ১১৬ বার প্রদর্শিত হয়ে ১৪তম এবং ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ ১১ হাজার ৯৮১ বার প্রদর্শিত হয়ে ১৫তম স্থানে রয়েছে।

১৬তম স্থানে থাকা সুভাষচন্দ্র বসুর পাতাটি ১১ হাজার ৭৬৭ বার, ‘ভারতের জাতীয় পতাকা’ ১১ হাজার ৪১১ বার এবং ‘বাংলা ভাষা’ ১১ হাজার ২৩৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে। এ দুটি পাতা যথাক্রমে ১৭তম ও ১৮তম স্থানে রয়েছে। তালিকার ১৯তম স্থানে রয়েছে ‘চ’। পাতাটি ১০ হাজার ৭২৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে। আর ১০ হাজার ৭১৬ বার প্রদর্শিত হয়ে ২০তম স্থানে রয়েছে শামীম কায়সার লিংকনের পাতাটি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

ইনফান্তিনোকে ‘মাদক কারবারি’ আখ্যা দিয়ে টাইমস স্কয়ারে বিলবোর্ড!

বাংলা উইকিপিডিয়ায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে ২ মন্ত্রী, আছেন রাষ্ট্রপতিও

আপডেট সময় ১২:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সদ্য শেষ হওয়া আগষ্ট মাসে বাংলা উইকিপিডিয়ায় অনলাইন পাঠকদের আগ্রহের শীর্ষে থাকা ১০টি পাতার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে ক্ষুদিরাম বসু, স্বাধীনতা দিবস (ভারত), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বাংলাদেশ, রাখীবন্ধন, ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’, মুহাম্মাদ, মিয়া খলিফা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান।

প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ৩০ হাজার ৩০৮ বার প্রদর্শিত হয়ে তালিকার শীর্ষস্থান দখল করেছে ক্ষুদিরাম বসু-সংক্রান্ত পাতাটি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘স্বাধীনতা দিবস (ভারত)’। সংগৃহীত সময়ে পাতাটি ২৭ হাজার ৪০৮ বার দেখা হয়েছে। এ ছাড়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-সংক্রান্ত পাতা ২০ হাজার ৮৯৪ বার প্রদর্শনের মাধ্যমে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ১৫ হাজার ৯৫১ বার প্রদর্শিত হয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ‘বাংলাদেশ’ পাতাটি।

পঞ্চম স্থানে থাকা ‘রাখীবন্ধন’ পাতাটি দেখা হয়েছে ১৫ হাজার ৮২৬ বার। ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ ১৫ হাজার ৬১৬ বার প্রদর্শিত হয়ে ষষ্ঠ, ‘মুহাম্মাদ’ ১৫ হাজার ২২৬ বার প্রদর্শিত হয়ে সপ্তম এবং ‘মিয়া খলিফা’ ১৪ হাজার ৪৯৭ বার প্রদর্শিত হয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে।

তালিকায় নবম স্থানে থাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-সংক্রান্ত পাতা ১৪ হাজার ৯১ বার এবং দশম স্থানে থাকা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ পাতাটি ১৩ হাজার ১৭০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।

তালিকায় ১১তম স্থানে রয়েছে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। পাতাটি ১৩ হাজার ১৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে। ১২ হাজার ৮০৬ বার প্রদর্শিত হয়ে ‘বন্দে মাতরম্’ রয়েছে ১২তম স্থানে। এ ছাড়া কাজী নজরুল ইসলাম ১২ হাজার ৪২৯ বার প্রদর্শিত হয়ে ১৩তম, ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ ১২ হাজার ১১৬ বার প্রদর্শিত হয়ে ১৪তম এবং ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ ১১ হাজার ৯৮১ বার প্রদর্শিত হয়ে ১৫তম স্থানে রয়েছে।

১৬তম স্থানে থাকা সুভাষচন্দ্র বসুর পাতাটি ১১ হাজার ৭৬৭ বার, ‘ভারতের জাতীয় পতাকা’ ১১ হাজার ৪১১ বার এবং ‘বাংলা ভাষা’ ১১ হাজার ২৩৭ বার প্রদর্শিত হয়েছে। এ দুটি পাতা যথাক্রমে ১৭তম ও ১৮তম স্থানে রয়েছে। তালিকার ১৯তম স্থানে রয়েছে ‘চ’। পাতাটি ১০ হাজার ৭২৩ বার প্রদর্শিত হয়েছে। আর ১০ হাজার ৭১৬ বার প্রদর্শিত হয়ে ২০তম স্থানে রয়েছে শামীম কায়সার লিংকনের পাতাটি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস