ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল: পানিসম্পদ মন্ত্রী Logo ইউএনডিপি দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে যা বললেন আইনমন্ত্রী Logo সার সংকট: কৃষি মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করতে তিন মন্ত্রীর কমিটি Logo এবার তদন্তের দায়িত্ব পেল ডিবি Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo আইভরি কোস্টে নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর ২০তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ Logo এরশাদ আমলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহব্বত জান চৌধুরীর ইন্তেকাল Logo বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার নিত্যপণ্য কিনবে সরকার Logo ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী
রংপুরে আলোচিত হত্যাকাণ্ড

এবার তদন্তের দায়িত্ব পেল ডিবি

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার আলোচিত মামলার তদন্তভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।

অধিকতর স্বচ্ছ তদন্ত এবং দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার লক্ষ্যে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জী প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নথিপত্র নতুন তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের ওসি জিনাত আলীর কাছে হস্তান্তর করেন।

এর আগে, একই দিন বিকেলে ওই দুই কর্মকর্তা রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলের বাড়ি পরিদর্শন করেন। এসময় প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল ও মামলার তদন্তসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নতুন তদন্ত কর্মকর্তাকে ব্রিফ করেন। ডিবির উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, এ ঘটনায় গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত শনিবার সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে স্বজনরা কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির তালা ভেঙে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, বাড়ির ছাদে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), সিঁড়িতে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫২) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর (২৫) মরদেহ পাওয়া যায়। এছাড়া দোতলার একটি শোবার ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় গণপতি চক্রবর্তীর নাতি রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ। একই পরিবারের চারজনকে হত্যার এ ঘটনায় রংপুরসহ দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় গত রবিবার ভোরে মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে ও সিটি বাজারের একটি মাছের দোকানের কর্মচারী মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে ও একটি স্বর্ণের দোকানের কারিগর সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেফতার দুইজন সম্পর্কে মামাতো ভাই।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল: পানিসম্পদ মন্ত্রী

রংপুরে আলোচিত হত্যাকাণ্ড

এবার তদন্তের দায়িত্ব পেল ডিবি

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার আলোচিত মামলার তদন্তভার মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।

অধিকতর স্বচ্ছ তদন্ত এবং দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার লক্ষ্যে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছ থেকে মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জী প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নথিপত্র নতুন তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের ওসি জিনাত আলীর কাছে হস্তান্তর করেন।

এর আগে, একই দিন বিকেলে ওই দুই কর্মকর্তা রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েলের বাড়ি পরিদর্শন করেন। এসময় প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল ও মামলার তদন্তসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নতুন তদন্ত কর্মকর্তাকে ব্রিফ করেন। ডিবির উপ-কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, এ ঘটনায় গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত শনিবার সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে স্বজনরা কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ির তালা ভেঙে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, বাড়ির ছাদে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), সিঁড়িতে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫২) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর (২৫) মরদেহ পাওয়া যায়। এছাড়া দোতলার একটি শোবার ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় গণপতি চক্রবর্তীর নাতি রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ। একই পরিবারের চারজনকে হত্যার এ ঘটনায় রংপুরসহ দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় গত রবিবার ভোরে মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে ও সিটি বাজারের একটি মাছের দোকানের কর্মচারী মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয় চন্দ্র দাসের ছেলে ও একটি স্বর্ণের দোকানের কারিগর সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেফতার দুইজন সম্পর্কে মামাতো ভাই।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস