ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে তেল রপ্তানি হতে দেবে না ইরান Logo প্রতি ১০ কিলোমিটারে একটি করে অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত করা হবে : সড়কমন্ত্রী Logo ফরম পূরণে প্রতারণার পর বিশেষ ব্যবস্থায় ৮ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু Logo নুসরাত হত্যা মামলা: ‘ঢালাও’ ফাঁসি দেওয়া সেই বিচারকের ক্ষমতা প্রত্যাহারের নির্দেশ Logo ৩ বছরে ৩০ বছরের গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে ইসরায়েল Logo অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ ড্র করাও বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় অর্জন Logo ফরিদপুরে ২০ লিটার দেশীয় মদসহ যুবক গ্রেপ্তার Logo ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে যা বললেন সিইসি Logo জুলাইয়ে ভ্যানচালক হত্যাচেষ্টা মামলায় নজরুল ইসলাম মজুমদার গ্রেপ্তার Logo দলের নাম ভাঙিয়ে চলা লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার।

বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে যেসব জায়গায় উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে সীমান্তগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, বর্ডার হাট পুনরায় চালু এবং স্থলপথে সুতা আমদানি পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ল্যান্ড বর্ডারগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, বর্ডার হাট পুনরায় চালু করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানি পুনরায় চালুর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এছাড়া সাব্রুমসহ আরো দু-একটি সড়কের বিষয়ও ভারতীয় হাইকমিশনারের পক্ষ থেকে নজরে আনা হয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ট্রানজিশন হয়েছে। এরপর দুই দেশের পক্ষ থেকেই আন্তঃবাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ এসেছে। তা সত্ত্বেও গত বছর দুই দেশের আন্তঃবাণিজ্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার ছিল।

এর অর্থ হলো, অর্থনৈতিক বিবেচনা অনেক সময় অনেক কিছুকে ছাপিয়ে যায়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক স্বার্থের দিকটি দেখতে হবে। এর ফলে ভোক্তাদের কম মূল্যে পণ্য ও সেবা ভোগের সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো জানান, ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের অবকাঠামো ও ডিজিটাল অবকাঠামোতে বিনিয়োগের জন্য দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাণিজ্যিক সম্পর্কে গতি আনা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র খোঁজা একটি চলমান প্রক্রিয়া।

এটি চলতে থাকবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে তেল রপ্তানি হতে দেবে না ইরান

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে

আপডেট সময় ০১:১১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার।

বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে যেসব জায়গায় উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে সীমান্তগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, বর্ডার হাট পুনরায় চালু এবং স্থলপথে সুতা আমদানি পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ল্যান্ড বর্ডারগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, বর্ডার হাট পুনরায় চালু করা এবং স্থলপথে সুতা আমদানি পুনরায় চালুর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এছাড়া সাব্রুমসহ আরো দু-একটি সড়কের বিষয়ও ভারতীয় হাইকমিশনারের পক্ষ থেকে নজরে আনা হয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ট্রানজিশন হয়েছে। এরপর দুই দেশের পক্ষ থেকেই আন্তঃবাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ এসেছে। তা সত্ত্বেও গত বছর দুই দেশের আন্তঃবাণিজ্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার ছিল।

এর অর্থ হলো, অর্থনৈতিক বিবেচনা অনেক সময় অনেক কিছুকে ছাপিয়ে যায়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক স্বার্থের দিকটি দেখতে হবে। এর ফলে ভোক্তাদের কম মূল্যে পণ্য ও সেবা ভোগের সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো জানান, ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের অবকাঠামো ও ডিজিটাল অবকাঠামোতে বিনিয়োগের জন্য দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাণিজ্যিক সম্পর্কে গতি আনা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র খোঁজা একটি চলমান প্রক্রিয়া।

এটি চলতে থাকবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ