ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আলেকজান্ডারকে কি সত্যিই বিষ খাইয়ে মারা হয়েছিল ? Logo উড্ডয়নের আগমুহূর্তে বিমানের উইন্ডস্ক্রিনে ফাটল, নেপালে আটকা ১২৭ যাত্রী Logo ৬ মাস পূর্তি, গণমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা Logo ১০০তম জন্মদিন উদযাপনে নাতির সাথে আকাশ থেকে ঝাঁপ দাদির Logo ঘুমের মধ্যেই মারা গেলেন ২৭ বছর বয়সী অভিনেত্রী Logo দেশের সব জেলা প্রশাসকের জন্য ১৪ নির্দেশনা Logo ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ Logo ফ্যাসিস্ট আমলে শিক্ষাব্যবস্থায় চরম ধস নেমেছিল : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী Logo ওমরাহ ভিসা থাকলেও যাওয়া যাবে না সৌদি, মানতে হবে শর্ত

দেশের সব জেলা প্রশাসকের জন্য ১৪ নির্দেশনা

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করতে মাঠ পর্যায়ের ভূমি অফিসগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকির জন্য দেশের সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে ১৪ দফা নির্দেশনা পাঠিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরম্যান্স (ডিকেএমপি) অনুবিভাগের উপসচিব সাদেকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সম্প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিশ্চিতে উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল এবং ইউনিয়ন ও পৌর ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা প্রয়োজন।

সেবার মানোন্নয়ন, নাগরিক হয়রানি কমানো এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় জেলা প্রশাসকদের ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান, নকশা ও রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করা, অনলাইন ভূমিসেবা, ই-নামজারি ও ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা পর্যালোচনা, দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা, অভিযোগের দ্রুত তদন্ত এবং সেবার ফি, প্রক্রিয়া ও সময়সীমা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ‘ভূমিসেবায় অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সহায়তা সিস্টেম’ কার্যকরভাবে ব্যবহার করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সঙ্গে অফিসের পরিচ্ছন্নতা, নথি সংরক্ষণ, নাগরিক সনদ, তথ্য বোর্ড ও সেবার মানদণ্ড হালনাগাদ রাখা, আইটি সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভূমি আইন, বিধি ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করা, ‘ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র’-এর সংখ্যা বৃদ্ধি ও কার্যক্রম তদারকি, আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে অনিয়ম শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকদের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ, অগ্রগতি এবং গৃহীত ব্যবস্থা উল্লেখ করে প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ভূমিসেবার গুণগত মান আরও উন্নত করা এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী ভূমি প্রশাসন গড়ে তোলাই এ নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

আলেকজান্ডারকে কি সত্যিই বিষ খাইয়ে মারা হয়েছিল ?

দেশের সব জেলা প্রশাসকের জন্য ১৪ নির্দেশনা

আপডেট সময় ১১:৫০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করতে মাঠ পর্যায়ের ভূমি অফিসগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকির জন্য দেশের সব জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে ১৪ দফা নির্দেশনা পাঠিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন, নলেজ ম্যানেজমেন্ট ও পারফরম্যান্স (ডিকেএমপি) অনুবিভাগের উপসচিব সাদেকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সম্প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতে বলা হয়েছে, সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিশ্চিতে উপজেলা ভূমি অফিস, রাজস্ব সার্কেল এবং ইউনিয়ন ও পৌর ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা প্রয়োজন।

সেবার মানোন্নয়ন, নাগরিক হয়রানি কমানো এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্দেশনায় জেলা প্রশাসকদের ভূমি অফিসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান, নকশা ও রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

এছাড়া নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করা, অনলাইন ভূমিসেবা, ই-নামজারি ও ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা পর্যালোচনা, দালাল ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা, অভিযোগের দ্রুত তদন্ত এবং সেবার ফি, প্রক্রিয়া ও সময়সীমা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ‘ভূমিসেবায় অভিযোগ ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সহায়তা সিস্টেম’ কার্যকরভাবে ব্যবহার করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সঙ্গে অফিসের পরিচ্ছন্নতা, নথি সংরক্ষণ, নাগরিক সনদ, তথ্য বোর্ড ও সেবার মানদণ্ড হালনাগাদ রাখা, আইটি সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভূমি আইন, বিধি ও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করা, ‘ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র’-এর সংখ্যা বৃদ্ধি ও কার্যক্রম তদারকি, আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে অনিয়ম শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকদের মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ, অগ্রগতি এবং গৃহীত ব্যবস্থা উল্লেখ করে প্রতি মাসের প্রতিবেদন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ভূমিসেবার গুণগত মান আরও উন্নত করা এবং একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী ভূমি প্রশাসন গড়ে তোলাই এ নির্দেশনার মূল লক্ষ্য।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস