২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন।
এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।
সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়।
ফলাফল দেখবেন যেভাবে
শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল অনলাইনে দেখতে পারবে। ফলাফল পাওয়া যাবে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে।
এ ছাড়া যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাবে।
এসএমএসে SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> ২০২৬ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণ: SSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে
ফলাফলে সংক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষণের (চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হবে।
কোনো শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে সরাসরি উপস্থিত হয়ে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে না।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস























