ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাতারের ভূমিকা ইরানের চেয়েও ভয়ংকর: সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের চেয়ে কাতারকেই ইসরায়েলের জন্য বড় হুমকি বলে মনে করেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। সম্প্রতি এক ঘোষণায় তিনি জানান, চলতি বছরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় ফিরলে কাতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করবেন।

শনিবার ( ১ আগস্ট) চ্যানেল ১২-এর এক অনুষ্ঠানে বেনেট বলেন, ইরান সরাসরি বলে ‘আমরা ইসরায়েলকে ধ্বংস করব।’ কিন্তু কাতার ভিন্নভাবে কাজ করে। তারা গোপনে ক্ষতি করতে চায়।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় অংশ নেওয়া হামাসের নুখবা বাহিনীকে কাতার অর্থায়ন করেছে। একই সঙ্গে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কাতারের প্রভাব নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি।

বেনেট আরও বলেন, কাতার ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভেতরেও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি কাতারগেট কেলেঙ্কারির উল্লেখ করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে কাতারের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান।

নাফতালি বেনেট বলেন, কাতার আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে এবং ভেতর থেকে বিষ ছড়াচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কাতারকে এখনো শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা না করায় দেশটির পক্ষে কাজ করা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ নয়। এটি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করেন তিনি।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারের ভূমিকা ইরানের চেয়েও ভয়ংকর: সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:১৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের চেয়ে কাতারকেই ইসরায়েলের জন্য বড় হুমকি বলে মনে করেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। সম্প্রতি এক ঘোষণায় তিনি জানান, চলতি বছরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় ফিরলে কাতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করবেন।

শনিবার ( ১ আগস্ট) চ্যানেল ১২-এর এক অনুষ্ঠানে বেনেট বলেন, ইরান সরাসরি বলে ‘আমরা ইসরায়েলকে ধ্বংস করব।’ কিন্তু কাতার ভিন্নভাবে কাজ করে। তারা গোপনে ক্ষতি করতে চায়।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় অংশ নেওয়া হামাসের নুখবা বাহিনীকে কাতার অর্থায়ন করেছে। একই সঙ্গে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কাতারের প্রভাব নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি।

বেনেট আরও বলেন, কাতার ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ভেতরেও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি কাতারগেট কেলেঙ্কারির উল্লেখ করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে কাতারের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলমান।

নাফতালি বেনেট বলেন, কাতার আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে এবং ভেতর থেকে বিষ ছড়াচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কাতারকে এখনো শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা না করায় দেশটির পক্ষে কাজ করা আইনগতভাবে নিষিদ্ধ নয়। এটি নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করেন তিনি।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইসরায়েল