ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আল-আকসায় ঢুকে ২ হাজার ইসরায়েলির তাণ্ডব Logo শুক্রবার পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন Logo রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo টিআইবির প্রতিবেদনের সঙ্গে পুলিশের তথ্য মিলছে না: ডিএমপি কমিশনার Logo পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর Logo কে সাংবাদিক আর কে সাংবাদিক নয় তা নির্ধারণে কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী Logo চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২৭ জুলাই Logo উত্তেজনা বাড়িয়ে তাইওয়ান প্রণালিতে সরাসরি গোলাবর্ষণের মহড়া চীনের Logo বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo মিটমিট করে জ্বলছে চুলা, গ্যাস সংকটে রান্না বন্ধ

রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে গুঞ্জন

যে কোনো সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে যাচ্ছেন মো. সাহাবুদ্দিন- এমন গুজব ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মন্তব্য আসেনি বঙ্গভবন থেকে। গতকাল বিকেলে হঠাৎ করেই এ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সরকার ও রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললে সুনির্দিষ্টভাবে কেউ বিষয়টির সত্যতা জানাতে পারেননি।

বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রপতি নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত। স্বাস্থ্যের অনেকটা অবনতিও হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চ ডায়াবেটিস তাকে বেশি ভোগাচ্ছে।

তিনি জানান, বুধবারও বঙ্গভবনে অফিস করেছেন রাষ্ট্রপতি। আজ বৃহস্পতিবার কয়েকটি কল অন রয়েছে। এ নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা বলেন, অফিসিয়ালি এখনও এ ধরনের কোন বার্তা আমরা পাইনি। তবে কয়েক দিন ধরেই বঙ্গভবনের পরিবেশ বিদায়ের। মনে হচ্ছে-এক ধরনের নীরব প্রস্তুতি চলছে।

চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় বিজয় নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন প্রশ্নে নানা আলোচনা চলছে রাজনীতিতে। এমনকি বিএনপির কারা রাষ্ট্রপতি হতে পারেন, অনেক নাম দিয়েও খবর হচ্ছে সংবাদমাধ্যমে। সামাজিক মাধ্যমেও রয়েছে অনেক নাম নিয়ে আলোচনা।

দলটির নেতা-কর্মীদেরও অনেকে ধারণা করছেন, রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। যদিও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদের এখনো অনেকটা সময় বাকি আছে। ফলে সংবিধান অনুযায়ী এখনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয় নেই।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ২০২৩ সালের ২৪শে এপ্রিল পাঁচ বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্বে আসেন মো. সাহাবুদ্দিন। ফলে তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেহেতু মেয়াদ রয়েছে, সেখানে মো. সাহাবুদ্দিন যদি পদত্যাগ না করেন অথবা তাকে অভিশংসন বা অপসারণ না করা পর্যন্ত নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনগত সুযোগ নেই।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আল-আকসায় ঢুকে ২ হাজার ইসরায়েলির তাণ্ডব

রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে গুঞ্জন

আপডেট সময় ১২:১৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

যে কোনো সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে যাচ্ছেন মো. সাহাবুদ্দিন- এমন গুজব ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মন্তব্য আসেনি বঙ্গভবন থেকে। গতকাল বিকেলে হঠাৎ করেই এ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সরকার ও রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললে সুনির্দিষ্টভাবে কেউ বিষয়টির সত্যতা জানাতে পারেননি।

বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রপতি নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত। স্বাস্থ্যের অনেকটা অবনতিও হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চ ডায়াবেটিস তাকে বেশি ভোগাচ্ছে।

তিনি জানান, বুধবারও বঙ্গভবনে অফিস করেছেন রাষ্ট্রপতি। আজ বৃহস্পতিবার কয়েকটি কল অন রয়েছে। এ নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা বলেন, অফিসিয়ালি এখনও এ ধরনের কোন বার্তা আমরা পাইনি। তবে কয়েক দিন ধরেই বঙ্গভবনের পরিবেশ বিদায়ের। মনে হচ্ছে-এক ধরনের নীরব প্রস্তুতি চলছে।

চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় বিজয় নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন প্রশ্নে নানা আলোচনা চলছে রাজনীতিতে। এমনকি বিএনপির কারা রাষ্ট্রপতি হতে পারেন, অনেক নাম দিয়েও খবর হচ্ছে সংবাদমাধ্যমে। সামাজিক মাধ্যমেও রয়েছে অনেক নাম নিয়ে আলোচনা।

দলটির নেতা-কর্মীদেরও অনেকে ধারণা করছেন, রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। যদিও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদের এখনো অনেকটা সময় বাকি আছে। ফলে সংবিধান অনুযায়ী এখনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয় নেই।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ২০২৩ সালের ২৪শে এপ্রিল পাঁচ বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্বে আসেন মো. সাহাবুদ্দিন। ফলে তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেহেতু মেয়াদ রয়েছে, সেখানে মো. সাহাবুদ্দিন যদি পদত্যাগ না করেন অথবা তাকে অভিশংসন বা অপসারণ না করা পর্যন্ত নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনগত সুযোগ নেই।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ