ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ‘আর্জেন্টিনায় খেলবেন মেসি, আমাদেরও আছে কেইন-বেলিংহ্যাম’ Logo পাবলিক পরীক্ষার জন্য আলাদা ও স্থায়ী কেন্দ্র করার পরিকল্পনা সরকারের Logo মাদকের টাকা না পেয়ে সন্তানের সামনে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার Logo সরকার উদ্যোক্তাদের পাশে রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী Logo বন্যা মোকাবিলায় সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে Logo যে ৪ মন্ত্রীর পরিবর্তন চাইলেন নাসীরুদ্দীন, নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া Logo ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে তাণ্ডব চালানো দুর্বৃত্তদের খুঁটির জোর কোথায়?: জামায়াত আমির Logo এবার ঢাকা শিক্ষাবোর্ড ঘেরাও করেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা Logo ৮ দিনের বন্যায় ডুবেছে কক্সবাজারের ৪৯ শতাংশ, প্রাণহানি ৩২ Logo রাজশাহী থেকে বাস চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে দলবদ্ধ ধর্ষণ: একজনের মৃত্যুদণ্ড তিনজনের যাবজ্জীবন

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অপহরণের পর স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ২টায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রায়ে সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড এবং শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক) ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে কয়েকজন যুবক তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতরে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। একইসঙ্গে দম্পতির কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং গাড়ি আটকে রাখারও অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরও দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হয়। গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এ মামলার সঙ্গে একত্রে বিচার করা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনার পর আত্মগোপনে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে আট আসামিকেই গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘আর্জেন্টিনায় খেলবেন মেসি, আমাদেরও আছে কেইন-বেলিংহ্যাম’

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে দলবদ্ধ ধর্ষণ: একজনের মৃত্যুদণ্ড তিনজনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৩:০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অপহরণের পর স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ১ জনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ২টায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রায়ে সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড এবং শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক) ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির প্রাইভেটকার থামিয়ে কয়েকজন যুবক তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতরে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। একইসঙ্গে দম্পতির কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং গাড়ি আটকে রাখারও অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরও দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হয়। গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এ মামলার সঙ্গে একত্রে বিচার করা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনার পর আত্মগোপনে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে আট আসামিকেই গ্রেফতার করা হয়। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ