ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল: পানিসম্পদ মন্ত্রী Logo ইউএনডিপি দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে যা বললেন আইনমন্ত্রী Logo সার সংকট: কৃষি মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করতে তিন মন্ত্রীর কমিটি Logo এবার তদন্তের দায়িত্ব পেল ডিবি Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo আইভরি কোস্টে নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর ২০তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ Logo এরশাদ আমলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহব্বত জান চৌধুরীর ইন্তেকাল Logo বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার নিত্যপণ্য কিনবে সরকার Logo ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

খাদ্যের বিষক্রিয়ায় শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। এর মূল কারণ হিসেবে খাদ্যদ্রব্যের নিরাপদতার অভাবকে দায়ী করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা শাক-সবজি, ফলমূলে সীমাহীন কীটনাশক ব্যবহার করছি। যেখানে এক কেজি কীটনাশকের দরকার, সেখানে দেওয়া হচ্ছে তিন কেজি। আবার বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্য রপ্তানির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও খাদ্যের নিরাপদতার ঘাটতির কারণে সেই বাজারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারজাত করতে হবে।

শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ফেলোশিপ কার্যক্রমের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ফেলোশিপের ইনসেপশন সেমিনার ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বিএফএসএ কার্যালয়ে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

নিরাপদ খাদ্য খাতে গবেষণার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ফেলোশিপ নীতিমালা- ২০২৪ এর আওতায় বিএফএসএ ‘ফেলোশিপ কার্যক্রম-২০২৬’ চালু করে।

 

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিএফএসএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএফএসএর সদস্য ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ও ড. মোহাম্মদ শোয়েব।

খাবারের কারণে অসুস্থ হওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ টাকা চিকিৎসায় ব্যয় হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, খাদ্যে ভেজাল সারা পৃথিবীর সমস্যা, আমাদের দেশে আরও বড় সমস্যা। ২০ বছর আগেও এত ক্যানসার ছিল না। এখন ক্যানসার বেশি হচ্ছে।

খাদ্যে বিষক্রিয়াতে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হচ্ছে চিকিৎসায়। অথচ খাদ্যে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কম ব্যবহার করে জৈব সার প্রয়োগ করলে এ অবস্থা হতো না। তাই সরকার জৈব সারের প্রয়োগ বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কাজ করার সময় নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করতে হবে। প্রত্যেকেই নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে দেশ এগিয়ে যাবে।

 

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন দেশে খাদ্যপণ্য ও প্রসেস ফুড রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। তবে খাদ্যের বিশুদ্ধতার অভাবে রপ্তানি করা যাচ্ছে না। সেসব দেশের চাহিদা অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করতে হয়। কেননা, তারা রপ্তানিতে অনেক কঠোর নিয়ম মেনে চলে।

বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে কার্যক্রম বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মাসে বাজারগুলোতে অভিযান চালাতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রচার বাড়বে এবং আমরা কী খাচ্ছি তা জানতে পারবো।

তিনি বলেন, আমাদের এক কেজির স্থলে ৩ কেজি কীটনাশক দেওয়া হয়। আমে এমন কীটনাশক দেওয়া হয় যা পাকার সময় বাড়িয়ে দেয়। পাবদা মাছ, শসায় সবসময় স্প্রে করা হয়।

আইনের প্রয়োগ কঠোর করতে হবে উল্লেখ করে আব্দুল বারী বলেন, ১৭ বছরের অপসাশন, দুর্নীতির কারণে সমাজ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আমাদের এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদেরকে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরতদের পদোন্নতিসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, নতুন করে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের কাজের ক্ষেত্রে দুই ধরনের দায়বদ্ধতা রয়েছে। একটি বিবেক ও অপরটি আইনের প্রয়োগ। কর্মকর্তাদের সততা ও দক্ষতা ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যেতে পারে না।

তিনি জানান, বছরে ১ শতাংশ করে কৃষি জমি কমে যাচ্ছে। এজন্য গ্রামগুলোকে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সেভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করছে। এ থেকে জাতিকে রক্ষা করতে খাদ্যের নিরাপদতা নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। ভোক্তা পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মুক্তি মিলবে না বলেও দাবি করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ফেলোশিপের বেশিরভাগই খাদ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গবেষণা করবে। আগামীতে গবেষণার জন্য আমাদের বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

ফেলো হিসেবে নির্বাচিত হয়ে অনুভূতি ব্যক্তকালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জেবা বলেন, এই ফেলোশিপ-প্রাপ্তি আমার মতো বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া গবেষকদের অনুপ্রাণিত করতে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি৷

২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো এ ফেলোশিপ কার্যক্রম চালু করা হয়। এ বছর সাধারণ ফেলোশিপ-১ (এমএস/সমমান) ক্যাটাগরিতে আবেদন আহ্বান করা হলে সর্বমোট ৩২৩টি আবেদন পড়ে। এর মধ্য থেকে ২০ জন ফেলোকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল: পানিসম্পদ মন্ত্রী

খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

খাদ্যের বিষক্রিয়ায় শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। এর মূল কারণ হিসেবে খাদ্যদ্রব্যের নিরাপদতার অভাবকে দায়ী করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা শাক-সবজি, ফলমূলে সীমাহীন কীটনাশক ব্যবহার করছি। যেখানে এক কেজি কীটনাশকের দরকার, সেখানে দেওয়া হচ্ছে তিন কেজি। আবার বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্য রপ্তানির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও খাদ্যের নিরাপদতার ঘাটতির কারণে সেই বাজারে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারজাত করতে হবে।

শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ফেলোশিপ কার্যক্রমের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ফেলোশিপের ইনসেপশন সেমিনার ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর বিএফএসএ কার্যালয়ে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

নিরাপদ খাদ্য খাতে গবেষণার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ফেলোশিপ নীতিমালা- ২০২৪ এর আওতায় বিএফএসএ ‘ফেলোশিপ কার্যক্রম-২০২৬’ চালু করে।

 

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিএফএসএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএফএসএর সদস্য ড. মোহাম্মদ মোস্তফা ও ড. মোহাম্মদ শোয়েব।

খাবারের কারণে অসুস্থ হওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ টাকা চিকিৎসায় ব্যয় হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, খাদ্যে ভেজাল সারা পৃথিবীর সমস্যা, আমাদের দেশে আরও বড় সমস্যা। ২০ বছর আগেও এত ক্যানসার ছিল না। এখন ক্যানসার বেশি হচ্ছে।

খাদ্যে বিষক্রিয়াতে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হচ্ছে চিকিৎসায়। অথচ খাদ্যে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কম ব্যবহার করে জৈব সার প্রয়োগ করলে এ অবস্থা হতো না। তাই সরকার জৈব সারের প্রয়োগ বৃদ্ধিতে মনোযোগ দিচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কাজ করার সময় নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করতে হবে। প্রত্যেকেই নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে দেশ এগিয়ে যাবে।

 

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন দেশে খাদ্যপণ্য ও প্রসেস ফুড রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। তবে খাদ্যের বিশুদ্ধতার অভাবে রপ্তানি করা যাচ্ছে না। সেসব দেশের চাহিদা অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করতে হয়। কেননা, তারা রপ্তানিতে অনেক কঠোর নিয়ম মেনে চলে।

বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে কার্যক্রম বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মাসে বাজারগুলোতে অভিযান চালাতে হবে। এতে প্রতিষ্ঠানটির প্রচার বাড়বে এবং আমরা কী খাচ্ছি তা জানতে পারবো।

তিনি বলেন, আমাদের এক কেজির স্থলে ৩ কেজি কীটনাশক দেওয়া হয়। আমে এমন কীটনাশক দেওয়া হয় যা পাকার সময় বাড়িয়ে দেয়। পাবদা মাছ, শসায় সবসময় স্প্রে করা হয়।

আইনের প্রয়োগ কঠোর করতে হবে উল্লেখ করে আব্দুল বারী বলেন, ১৭ বছরের অপসাশন, দুর্নীতির কারণে সমাজ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আমাদের এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদেরকে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরতদের পদোন্নতিসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, নতুন করে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের কাজের ক্ষেত্রে দুই ধরনের দায়বদ্ধতা রয়েছে। একটি বিবেক ও অপরটি আইনের প্রয়োগ। কর্মকর্তাদের সততা ও দক্ষতা ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান এগিয়ে যেতে পারে না।

তিনি জানান, বছরে ১ শতাংশ করে কৃষি জমি কমে যাচ্ছে। এজন্য গ্রামগুলোকে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সেভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবু তাহের মো. মাসুদ রানা বলেন, বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল নীরব ঘাতক হিসেবে কাজ করছে। এ থেকে জাতিকে রক্ষা করতে খাদ্যের নিরাপদতা নিশ্চিত করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। ভোক্তা পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মুক্তি মিলবে না বলেও দাবি করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ফেলোশিপের বেশিরভাগই খাদ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গবেষণা করবে। আগামীতে গবেষণার জন্য আমাদের বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

ফেলো হিসেবে নির্বাচিত হয়ে অনুভূতি ব্যক্তকালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জেবা বলেন, এই ফেলোশিপ-প্রাপ্তি আমার মতো বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া গবেষকদের অনুপ্রাণিত করতে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি৷

২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো এ ফেলোশিপ কার্যক্রম চালু করা হয়। এ বছর সাধারণ ফেলোশিপ-১ (এমএস/সমমান) ক্যাটাগরিতে আবেদন আহ্বান করা হলে সর্বমোট ৩২৩টি আবেদন পড়ে। এর মধ্য থেকে ২০ জন ফেলোকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ