বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংক-আর্থিক খাতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে হাওড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে তিন মাস সহায়তা: প্রধানমন্ত্রী বেঙ্গালুরুতে হাসপাতালের দেওয়াল ধসে শিশুসহ নিহত ৭ বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক আরও কার্যকরে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার নৌ-অবরোধ না তুললে ‘নজিরবিহীন’ পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইরানের বোয়িং বিমান চুক্তি আজ, ১৪টি উড়োজাহাজ কিনছে সরকার সকালের মধ্যে ১৯ জেলায় বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ের শঙ্কা

ব্যাংক-আর্থিক খাতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়োগ দেওয়া হবে না। বিএনপির কোনো সরকার বাংলাদেশে এই সিদ্ধান্ত দেয়নি। বিগত দিনের ইতিহাসে নেই। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করবেন আগামীতে যে ব্যাংকিং সেক্টরে বলেন, আর্থিক সেক্টরে বলেন, কোনো পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট হবে কি না।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন- বিএনপি সরকারের সব নিয়োগ ছিল অরাজনৈতিক। সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণেই বিএনপি সরকারের সময় কোনো আর্থিক বিশৃঙ্খলা বা শেয়াবাজার লুটপাটের ঘটনা ঘটেনি। বর্তমান গভর্নর কোনো দলের ব্যক্তি নন, তিনি বড়জোর কোনো দলের সমর্থক হতে পারেন। তবে তার যোগ্যতা থাকলে নিয়োগে কোনো বাধা নেই।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা কিছু মন্তব্য করেছেন। আসলে একটা বিল পাস হওয়ার পরে এই ধরনের আলোচনার কোনো সুযোগ ছিল না এখানে। সেটাও রুলস অব প্রসিডিউরের বাইরে হচ্ছে। যেহেতু ওনারা প্রশ্ন তুলেছেন, আমাদের উত্তর দিতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিগত সরকারগুলো যদি দেখেন,যতবার বিএনপি সরকারে এসেছে,প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংক, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে যতগুলো অ্যাপয়েন্টমেন্ট হয়েছে, সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট।

সবগুলো নন-পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট, আমি ক্লিয়ারলি বলতে চাই। যে কারণে বাংলাদেশের আর্থিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিএনপি সরকারের সময় কোনো সমস্যা হয়নি।

সব সময় আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় ছিল। কোনো সময় শেয়ারবাজার লুটপাট হয়নি। কারণ, বিএনপির অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো কোনো সময় পলিটিক্যাল কনসিডারেশনে হয়নি এবং যোগ্য ব্যক্তিদের সেখানে দেওয়া হয়েছে। সেই ধারা এই সরকার অব্যাহত রাখবে- এটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে চাই।

সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনারা যখন বিগত দিনগুলোতে দেখবেন, এই বিগত কেয়ারটেকার সরকারের সময় যখন গভর্নরের বয়স বাড়িয়েছে, তো সেই সময় তো আপনারা কোনো আপত্তি তোলেননি।  গভর্নরের এজ আমরা বাড়াইনি, এটা বিগত কেয়ারটেকার সরকারের সময়ে বাড়ানো হয়েছে।

পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রধানের বয়স বৃদ্ধি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই বিলটা যখন ৯৩-তে হলো, সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, তখন গড় বয়স ছিল ৫৭ বছর। এখন গড় বয়স হচ্ছে ৭২ বছর। আপনি কি এই লোকগুলোকে কর্মকাণ্ডের বাইরে রাখতে চান? বাংলাদেশের এই নাগরিকগুলোকে, এই অভিজ্ঞ লোকগুলো, তাদেরকে কর্মকাণ্ডের বাইরে রাখতে চান? কোথায় ৫৭ বছর, এখন ৭২ বছর । গড় আয়ু বেড়েছে বলে বয়স বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে যারা আছেন, তাদের তো আমরা বাইরে রাখতে পারবো না।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশে যেখানে সাকসেসফুলি এই সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অপারেট করছে, তাদের এখানে কোনো এইজ বার নাই  এবং সফলভাবে এগুলো পরিচালনা করছে।

এখানে কেন এই বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে। দেশের  এই সমস্ত প্রফেশনাল অর্গানাইজেশনে আপনি এইজ বার দিলে হবে না। বয়সে একটা লিমিটেশন করে দিলে যোগ্য ব্যক্তিদের কাজ করার ক্ষেত্রে হবে না।

 যেখানে গড় এইজ পরিবর্তন হয়ে গেছে, সেটা আপনাকে সমন্বয় করতে হবে। বাংলাদেশের আগামীর অর্থনীতির যে নতুন প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হচ্ছে, এখানে আপনার যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিদের যদি আনতে হয়, আপনাকে এগুলো মাথায় রাখতে হবে। এখানে ইমোশনের কোনো সুযোগ নাই। দিস ইজ আ প্রফেশনাল জব। একটা ইকোনমিকে প্রফেশনালি চালাতে গেলে এই পরিবর্তন আনতে হবে বাংলাদেশে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com