
গাজীপুরের টঙ্গীতে বাবা ও ছেলেকে নির্যাতনের পর হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার ভোররাতে টঙ্গীর দত্তপাড়া বনমালা প্রাইমারি স্কুল রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে।
নিহতরা হলেন- সোহেল হোসেন দর্জি (৫০) ও তার ছেলে সাকিবুর রহমান সোহেব দর্জি (১৭)। এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে সোহান দর্জিকে (৩০) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয়দের তথ্যমতে, নিহত সাকিবুর রহমান উত্তরা আনোয়ার খান মডার্ন ইউনিভার্সিটির একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন এবং উত্তরার একটি শপিংমলে কাজ করতেন।
নিহত সোহেলের স্বজন হারুন অর রশিদ জানান, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে দত্তপাড়া বনমালা এলাকায় টিনশেড বাসায় পরিবারসহ বসবাস করছিলেন। রবিবার ফজরের নামাজের আগে সোহেলের বড় ছেলে সোহান তার খালাকে ফোন করে জানান, তার বাবা ও ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে সাকিবের মরদেহ ঘরের মেঝেতে এবং সোহেলের মরদেহ পাশের রেললাইনের কাছে পড়ে থাকতে দেখেন।
স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর মর্গে পাঠায়।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, নিহত সাকিবুর রহমানের ডান হাতের কব্জি কর্তন ও বাম পায়ের রগ কাটা অবস্থায় মরদেহ পাওয়া গেছে। অপরদিকে, সোহেলের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ও পায়ে জখমের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি তদন্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহানকে আটক করা হয়েছে।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ