বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আগামী দুই মাসে পেট্রোল-অকটেনের কোনো সংকট হবে না: জ্বালানি বিভাগ বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়ের পথে বিএনপির বাদশা হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৮৭ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার স্পিকারের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংসদের অধিবেশন থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট বগুড়ায় উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংস্কার চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী শ্রম বাজার নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর আলোচনা প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিন সংসদের সকালের অধিবেশনে ১২টি বিল পাস শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখাতে চাই, ভোটগ্রহণ মনিটর শেষে সিইসি

পাবলিক পরীক্ষার খাতা দেখার আইন সংশোধন হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

পাবলিক পরীক্ষার খাতা দেখার আইন সংশোধন করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা পরীক্ষকদের বলেছি, কখনো কঠিন ও নরম হবেন না। পরীক্ষকের হাতে লাল ও কালো দুটি কলম থাকতো। কালো কলমে খাতা ভরতো, লাল কলমে মার্কিং করতো, এটা চলবে না। আমি র‌্যান্ডম খাতা দেখবো। কারণ আমাদের ১৯৮০ অ্যাক্ট ছিল, এ অ্যাক্ট অনুযায়ী খাতা দেখার কোনো সুযোগ ছিল না। এজন্য তখন ফ্রড বা চিট হতো।

তিনি বলেন, পরীক্ষার হল থেকে ভালো ছাত্রের খাতা পাল্টে দিতো। পাল্টে দিলে ফলাফল খারাপ হতো। খারাপ হলে ছাত্র পুনরায় মূল্যায়নের জন্য বোর্ডের চেয়ারম্যান টেব্যুলেশন শিট নিয়ে কেবল যোগ করতেন। তিনি ২০+৩০+৮ এটা যোগ করতেন, কিন্তু খাতা দেখার কোনো আইন ছিল না। আমি মন্ত্রী থাকার সময় প্রথম এটা আবিষ্কার করি। যেহেতু একটা ছেলে এ+ পাওয়ার পর ফেল করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এটা বহু কষ্টে আইন লঙ্ঘন করে আবিষ্কার করেছিলাম।

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, আপনারা দেখেন ফলাফল প্রকাশের পর আত্মহত্যা করে, ওই কারণে আত্মহত্যা করে। সেজন্য আমি আইনে সংশোধন করছি, যেন খাতাটা দেখতে পারি। আমার পরীক্ষকরা ঠিকমতো খাতা মূল্যায়ন করছেন কি না, সেটা কীভাবে জানবো, এজন্য এটা করছি। যে ছেলেটির কথা বলছি, সে ছেলেটা এখন পিজির হার্ট স্পেশালিস্ট ডা. আতাউল্লাহ, আমি যদি সেদিন এটা না করতাম, সে কী পিজির হার্ট স্পেশালিস্ট হতো। এরকম কত হার্ট স্পেশালিস্ট আমাদের হাত থেকে হারিয়ে গেছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com