সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিসিটিআই’র ছয়টি স্বল্পমেয়াদি কোর্সের উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রী ঋণ ব্যবস্থাপনা ও করের আওতা বাড়ানোর ওপর জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অবাধ্যতায় সরাসরি বরখাস্তের বিধান রেখে সংসদে বিল পাস স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ‘বেটার’ বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আমেরিকার সঙ্গে আমাদের কোনো গোপন চুক্তি নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকট ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা’, প্রভাব পড়বে দ্রব্যমূল্যে

পল্লবীর শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্না বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেপ্তার

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্লবী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্না ওরফে ভাগিনা মুন্নাকে (৫৩) বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকালের দিকে র‌্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া অফিসার কে এন রায় নিয়তি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, আজ ভোর রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরীর তুরাগ থানাধীন হরিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী সোয়েব হোসেন মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে তার কাছ থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানা যায়, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে পল্লবী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী মুন্না অস্ত্রসহ নাশকতা চালানোর উদ্দেশ্যে এলাকায় প্রবেশ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-৪ এর একটি অভিযানিক দল প্রথমে পল্লবী থানাধীন ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

পরবর্তীতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না জানায়, তার ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্র তুরাগ থানাধীন হরিরামপুরে নিজ বাংলো বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যমতে, ওই বাংলো বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড তাজা গুলি এবং দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না স্বীকার করেন যে, উদ্ধারকৃত অস্ত্র তিনি রাজধানীর তুরাগ, মিরপুর, কাফরুল, পল্লবী, ভাষানটেক ও ক্যান্টনমেন্ট থানাসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতেন। পাশাপাশি এসব অস্ত্র ভাড়ায় পেশাদার অপরাধীদের কাছে সরবরাহ করত, যা দিয়ে খুন, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হতো।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com