ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আলেকজান্ডারকে কি সত্যিই বিষ খাইয়ে মারা হয়েছিল ? Logo উড্ডয়নের আগমুহূর্তে বিমানের উইন্ডস্ক্রিনে ফাটল, নেপালে আটকা ১২৭ যাত্রী Logo ৬ মাস পূর্তি, গণমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা Logo ১০০তম জন্মদিন উদযাপনে নাতির সাথে আকাশ থেকে ঝাঁপ দাদির Logo ঘুমের মধ্যেই মারা গেলেন ২৭ বছর বয়সী অভিনেত্রী Logo দেশের সব জেলা প্রশাসকের জন্য ১৪ নির্দেশনা Logo ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ Logo ফ্যাসিস্ট আমলে শিক্ষাব্যবস্থায় চরম ধস নেমেছিল : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী Logo ওমরাহ ভিসা থাকলেও যাওয়া যাবে না সৌদি, মানতে হবে শর্ত

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজনের কারাগারে আত্মহত্যা

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকালে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলাসহ ১৫ মামলার আসামি সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন (৪৫) আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (১৪ জুন) সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতলের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এক কারাবন্দিকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। আনার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহটি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা যায়, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজন সাধারণ একটি কক্ষে বন্দি ছিলেন এবং নিজের ব্যবহৃত গামছা দিয়েই ফাঁস দেন। কক্ষটিতে থাকা তিন বন্দির মধ্যে একজন আদালতে গিয়েছিলেন ও অপরজন ঘুমিয়ে ছিলেন। সেই ফাঁকে সুজন আত্মহত্যা করেন।

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, একটি কক্ষে তিনজন বন্দি থাকতেন। এদের মধ্যে একজন মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন আর একজন ঘুমিয়ে ছিলেন সেই সুযোগে সুজন নিজে গামছা গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করেন। পরে আমরা বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে তাকে কারা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, সাইদুর রহমান সুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইন ও আইসিটি সহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। যতটুকু আমরা জানি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল।

জানা যায়, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সুজন আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

Tag :

আলেকজান্ডারকে কি সত্যিই বিষ খাইয়ে মারা হয়েছিল ?

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজনের কারাগারে আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৪:২৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকালে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলাসহ ১৫ মামলার আসামি সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন (৪৫) আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (১৪ জুন) সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতলের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এক কারাবন্দিকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। আনার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহটি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তার সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা যায়, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজন সাধারণ একটি কক্ষে বন্দি ছিলেন এবং নিজের ব্যবহৃত গামছা দিয়েই ফাঁস দেন। কক্ষটিতে থাকা তিন বন্দির মধ্যে একজন আদালতে গিয়েছিলেন ও অপরজন ঘুমিয়ে ছিলেন। সেই ফাঁকে সুজন আত্মহত্যা করেন।

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, একটি কক্ষে তিনজন বন্দি থাকতেন। এদের মধ্যে একজন মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন আর একজন ঘুমিয়ে ছিলেন সেই সুযোগে সুজন নিজে গামছা গলায় পেঁচিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টা করেন। পরে আমরা বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে তাকে কারা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, সাইদুর রহমান সুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইন ও আইসিটি সহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। যতটুকু আমরা জানি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল।

জানা যায়, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সুজন আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি কারাবন্দি ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ