রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। গত ৩০ জুনের হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংকের—৭৫ হাজার ৩৯৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। অগ্রণী ব্যাংকের ২৯ হাজার ২৯ কোটি ৬৭ লাখ, রূপালী ব্যাংকের ১৯ হাজার ২৮১ কোটি ৭৪ লাখ, সোনালী ব্যাংকের ১৫ হাজার ৪৮ কোটি ৩৯ লাখ, বেসিক ব্যাংকের ৮ হাজার ১৩১ কোটি ৯ লাখ এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের ৮৮৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা খেলাপি রয়েছে।
রোববার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। এস আলম গ্রুপকে নতুন করে ঋণ দেওয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্নীতিতে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিচার চলবে; তবে কোনো কোম্পানি বন্ধ করার আগে অর্থনীতিতে তার প্রভাব বিবেচনা করতে হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ইমোশনের ওপর অর্থনীতি চলে না। আইনের ওপর অর্থনীতি চলতে হবে।’
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত জনগণের মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা। ২০১০ থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত বিদেশ থেকে ৮১ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮২ জন কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে। এ ছাড়া চোরাচালানিদের কাছ থেকে ২ হাজার ৫১৮ কেজি ৬৬৮ গ্রাম স্বর্ণ ও ৩৭৭ কেজি ৩৪৮ গ্রাম রৌপ্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, ২০২৪ সালের ১৮ থেকে ২৩ জুলাই এবং ৫ আগস্ট ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় অনলাইন ব্যবসা, ই-কমার্স, অনলাইন ব্যাংকিং, পেমেন্ট ও মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। এতে উদ্যোক্তা ও নারী কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং বিদেশে থাকা এক কোটির বেশি বাংলাদেশি স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি।























