চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যুবক মো. শাহিনের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ খবর নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্তমানে শাহিন রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার(২১ এপিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার কার্যালয়ের অধীনে থাকা বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতালে গিয়ে শাহিনের শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন। তারা শাহিনের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।
ডা. আমান উল্লাহ জানিয়েছেন, জুলাই মাসে যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলেন এবং যারা আজ আহত অবস্থায় বিছানায় কাতরাচ্ছেন তাদের প্রত্যেকের পাশে বর্তমান সরকার ছায়ার মতো রয়েছে।
এ সময় চিকিৎসক দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার সকালে শাহিনের পায়ে অস্ত্রোপচার করা হবে। এই অস্ত্রোপচার যেন সফলভাবে সম্পন্ন হয় সেজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন চিকিৎসকরা।
পঙ্গু হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. সিরাজুস সালেহীন। এছাড়া নিটোর ড্যাবের প্রেসিডেন্ট ডা. শামসুল আলম এবং সেক্রেটারি ডা. শেখ আতিকুর রহমান সুজনসহ সংশ্লিষ্ট অনেক চিকিৎসক সেখানে উপস্থিত থেকে শাহিনের চিকিৎসার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছেন। সবাই শাহিনের দ্রুত সুস্থতার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার আশ্বাস দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর থানার সামনে এক ভয়াবহ সংঘর্ষে অংশ নিতে গিয়ে পায়ে গুলিবিদ্ধ হন শাহিন। সেই থেকে তিনি অমানবিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছিলেন। পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা চলাকালীন সময়ে রাজধানীর শ্যামলী মাঠে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় ক্রাচে ভর দিয়ে আহত অবস্থায় উপস্থিত ছিলেন শাহিন। জনসভায় উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে বিষয়টি পড়ার সাথে সাথে তিনি আবেগাপ্লুত হন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শাহিনের উন্নত চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস
উপদেষ্টা সম্পাদক : সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, প্রধান সম্পাদকঃ তাজিন মাহমুদ, সম্পাদক: ডা: সাদিয়া হোসেন, যোগাযোগঃ ৪/এ,ইন্দিরা রোড, মাহবুব প্লাজা (২য় তলা) ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ।মোবাইল: ০১৯৭১-১৯৩৯৩৪, ০১৫৫২-৩১৮৩৩৯, ই-মেইল: [email protected]; [email protected]। ওয়েব:www.bangla71news.com
© All rights reserved © 2018-2025