টাঙ্গাইলের সখীপুরে কলা ও পেঁপে বাগান নষ্ট হচ্ছে সাফারি পার্ক থেকে পালিয়ে আসা নীল গাইয়ের আক্রমণে! দিশেহারা কৃষক। উপজেলার বেতুয়া গ্রামে প্রায় তিনশত কলা গাছের কালার কাঁদি খেয়ে ফেলার অভিযোগ তুলেছে কলাচাষী জামাল হোসেন। এছাড়া প্রায় পঞ্চাশটি পেঁপে গাছের পেঁপে নষ্ট হয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে রাতের বেলায় নীল গাই এ আক্রমণ করেছে বলে জানায় ক্ষতিগ্রস্থ ওই কৃষক।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এলাকাবাসী জানায়, প্রায় এক বছর আগে গাজীপুরের সাফারি পার্ক থেকে একটি নীল গাই পালিয়ে এসেছে এই এলাকার শাল গজারীর বনে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বেতুয়া গ্রামে জামাল হোসেনের তিন একর কলা বাগানে ও কলা বাগানের ভেতর পেঁপে বাগানে নীল গাইয়ের আক্রমণ। বেশ কিছু কলা গাছের কলার কাঁদি খেয়ে ফেলেছে। যে কারণে ওই কলার ছড়ি বাজারে বিক্র করা সম্ভব না।
বিভিন্ন ভাবে কলা বাগানটি পাহারা দিয়ে রাখা হচ্ছে কিন্তু যে কোন সময় আবার ওই নীল গাই আক্রমণ করতে পারে সেই আতঙ্কে থাকেন ওই কলা ও পেঁপে চাষীরা।কলা ও পেঁপে চাষী জামাল হোসেন বলেন, কলা ও পেঁপে মিলিয়ে প্রায় তিন লক্ষ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে।
বিষয়টি সাফারি পার্কের লোকজনকে জানিয়েছি। ওনারা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন কিন্তু প্রায় দুই মাস হয়ে গেলো এখনো কোন সারা পাচ্ছি না। আমি আমার কলা ও পেঁপে বাগানের ফসল নষ্টের ক্ষতিপূরণ চাই।
এলাকাবাসী জাানায়, এই এলাকায় একটি নীল গাই এসেছে আমরা সবাই জানি। গাইটি দিনের বেলায় খুব কম দেখা যায়। এটা রাতের বেলায় ঘুরে বেড়ায়। মানুষের ফসল নষ্ট করছে। আমরা চাই সাফারি পার্কের লোকজন অতি অল্প সময়ের সধ্যে এই নীল গাইটি নিয়ে যাক।
গাজীপুর সাফারি পার্কের টেকনিক্যাল পোস্টের (টি.টি.ও) শ্রী চন্দন কুমার বলেন, বেশ কিছুদিন আগে আমাদের সাফারি পার্ক থেকে একটি নীল গাই বের হয়ে গেছে। এটা ধরে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। ওই এলাকার কয়েকজন কৃষকের কলাবাগান, ভুট্টা খেতে আক্রমণ করে ফসল নষ্ট করছে। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। আশা করছি খুব অল্প সময়ের মধ্যে গাইটি ধরে নিয়ে আসব।
বাংলা৭১নিউজ/এবি
উপদেষ্টা সম্পাদক : সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, প্রধান সম্পাদকঃ তাজিন মাহমুদ, সম্পাদক: ডা: সাদিয়া হোসেন, যোগাযোগঃ ৪/এ,ইন্দিরা রোড, মাহবুব প্লাজা (২য় তলা) ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ।মোবাইল: ০১৯৭১-১৯৩৯৩৪, ০১৫৫২-৩১৮৩৩৯, ই-মেইল: [email protected]; [email protected]। ওয়েব:www.bangla71news.com
© All rights reserved © 2018-2025