
বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের উচ্চতর গ্রেডে বিভিন্ন বিশেষায়িত পদে ৩০০ জন চিকিৎসক নিয়োগের একটি বিশাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, প্রার্থীদের কোনো প্রকার লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে না। যোগ্য প্রার্থীদের সরাসরি মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুমা আফরীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে অনলাইনে এই নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তা চলবে আগামী ৮ মার্চ পর্যন্ত।
বিপিএসসি জানিয়েছে, সরকারের তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত মোট ৫৩টি ক্যাটাগরির পদে এই নিয়োগ দেওয়া হবে।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদগুলো হলো বিভিন্ন বিশেষায়িত বিভাগের অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট। দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করতে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের ক্যাডার সার্ভিসে যুক্ত করার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রার্থীদের বয়সসীমার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি তারিখ অনুযায়ী, অধ্যাপক পদের জন্য প্রার্থীর সর্বোচ্চ বয়স ৫০ বছর হতে পারবে। সহযোগী অধ্যাপক পদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৪৫ বছর এবং সহকারী অধ্যাপক ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়স ৪০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে যারা ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগে কর্মরত আছেন বা বিভাগীয় প্রার্থী, তাদের ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা বিধি অনুযায়ী শিথিলযোগ্য করা হয়েছে।
নিয়োগের নিয়মাবলি সম্পর্কে পিএসসি জানিয়েছে, শুধুমাত্র ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতেই মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হবে। এই ভাইভায় পাস নম্বর ধরা হয়েছে ৫০।
এছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর সম্পূর্ণ গোপনীয় রাখা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আগ্রহী যোগ্য চিকিৎসকদের পিএসসির নির্ধারিত দাপ্তরিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত শর্তাবলি ও নিয়মাবলি কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস