জ্ঞান ও বিদ্যার দেবী সরস্বতীর আরাধনার দিন আজ, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি)। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা। প্রাচীনকালে তান্ত্রিক সাধকেরা সরস্বতী সদৃশ দেবী বাগেশ্বরীর পূজা করলেও আধুনিক সময়ের পূজা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, বাণী ও সৃজনশীলতার উদ্দীপনার প্রতীক হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।
সরস্বতী পূজা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। হাজার বছর ধরে এখানে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন। এই পবিত্র উৎসব আমাদের শিক্ষা দেয়, আমাদের জ্ঞান সমাজের উন্নতির জন্য ব্যবহার করতে হবে।”
শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী, মাঘ মাসের শুক্লাপঞ্চমী বা বসন্ত পঞ্চমীতে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। দেবী সরস্বতীকে বেদ ও বীণা হাতে ধারণ করে আরাধনা করা হয়। তাঁর আশীর্বাদে বিদ্যা, বুদ্ধি ও সৃজনশীলতা অর্জিত হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
ঢাকাসহ সারা দেশে মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূজা, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সন্ধ্যা আরতির আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলসহ ৭৬টি মণ্ডপে এ বছর পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুইদিনব্যাপী এই আয়োজনে পুষ্পাঞ্জলি, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, রক্তদান কর্মসূচি ও শিশু-বান্ধব বিনোদন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।
জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল জানান, “উপাচার্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পুলিশ, এনএসআই, শাহবাগ থানা ও ফায়ার সার্ভিস সহায়তা করছে। প্রবেশমুখে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহৃত হচ্ছে এবং শিশুদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা কর্নার রাখা হয়েছে।”
রাজধানীর অন্যান্য পূজামণ্ডপে যেমন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, শাঁখারী বাজার ও রমনা কালী মন্দিরে পূজা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রোচ্চারণ, ঢাক-ঢোল, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে পূজামণ্ডপগুলো মুখরিত হবে।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস
উপদেষ্টা সম্পাদক : সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, প্রধান সম্পাদকঃ তাজিন মাহমুদ, সম্পাদক: ডা: সাদিয়া হোসেন, যোগাযোগঃ ৪/এ,ইন্দিরা রোড, মাহবুব প্লাজা (২য় তলা) ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ।মোবাইল: ০১৯৭১-১৯৩৯৩৪, ০১৫৫২-৩১৮৩৩৯, ই-মেইল: [email protected]; [email protected]। ওয়েব:www.bangla71news.com
© All rights reserved © 2018-2025